Tuesday, July 29, 2014

দেবতা কি গ্রহান্তরের মানুষ ?

সারা পৃথিবী জুড়েই ছড়িয়ে রয়েছে  অদ্ভুত, অসম্ভব সব বিবরণ - বস্তু এবং ধ্বংসাবশেষ, যাদের ব্যাখ্যা প্রত্নতত্ব, ইতিহাস, কিম্বা ধর্মের গতানুগতিক ধারায় দেওয়া সম্ভব হয়নি। পৃথিবীর সমস্ত ধর্মপুস্তকে রয়েছে অগ্নিগর্ভ রথে 'দেবতাদের' মর্তে আগমনের নানানতরো বিশদ বিবরণ। আরো রয়েছে, তাঁদের পুনরাগমনের প্রতিশ্রুতি।  কিন্তু কেন? নানা সংস্কৃত পুঁথিতে কেমন করে লেখা হলো মহাকাশযানে ভ্রমণের কথা ?  মধ্যাকর্ষণের কথা ? মহাকাশে যাত্রাকালে যে জাগতিক এবং মহা-জাগতিক সময়ের মাঝে বিরাট তারতম্য ঘটে, এই সেদিন এযুগের বিজ্ঞানী আইনস্টাইন যার সূত্র আবিষ্কার করেছেন, সেই time dilation-এর খবর মহাভারতের কাহিনীকার জানলেন কেমন করে?   কোথা থেকেই বা জানলেন তেজস্ক্রিয়তার কথা, যার কথা অ্যাটম বোমা ফাটানোর আগে আমরা কল্পনাই করতে পারিনি ?  

এরিক ফন দানিকেনের "ERINNERU GEN AN DIE ZUKUNFT" গ্রন্থের ইংরেজী অনুবাদ "Chariots of the Gods", আর সেখান থেকে করা বাংলা অনুবাদ 'দেবতা কি গ্রহান্তরের মানুষ' একসময় পাঠকসমাজে যথেষ্ঠ সাড়া জাগিয়েছিলো। মূল গ্রন্থটির প্রথম  প্রকাশ ঘটেছিলো পশ্চিম জার্মানীতে ১৯৬৮ সালে - পৃথিবীর ৩৭  ভাষায় বইটি অনূদিত হয়েছিলো।  বাংলাতে এই বইটি প্রকাশিত হয় 'লোকায়ত প্রকাশন' থেকে ১৯৭১ (বাংলায় ১৩৬৮) সালে - আমার জন্মেরও আগে !

দেবতা কি গ্রহান্তরের মানুষ?

পূজা-পার্বণে ভ'রে থাকা, তীব্র ঈশ্বরে-বিশ্বাসী আমাদের বাড়িতে যে এই বইটার আগমন ঘটেছিলো কোন সাহসে সেটা আজ ভাবলে কিছুটা বিস্ময়ই জাগে মনে! 

বাঙালি পাঠক নভেল-নাটকের একঘেয়েমি থেকে হামেশাই ছুটি চান, তাই ভারতীয় অন্যান্য সাহিত্যে যা প্রায় বিরল, সেই 'প্রবন্ধ'-এর কদর তাঁদের কাছে এত বেশি। একঘেয়েমির হাত থেকে বাঁচার জন্যেই বোধহয় বাঙালি বেড়াতে খুব বেশি ভালোবাসে। সেই একই কারণে এই বইটি প্রকাশের সাথে সাথে বাঙালি পাঠক একে আদর করে তুলে নিয়েছিলেন।

এই পোস্টে রইলো সেই বিতর্কিত, দু:সাহসী, মনে হাজার-প্রশ্ন-উদ্রেককারী বইটি থেকে দুটি পপুলার অধ্যায় - চলুন পড়া শুরু করা যাক তা'হলে !

দেবতা কি গ্রহান্তরের মানুষ?
(Size: 40 MB)

No comments:

Post a Comment