Wednesday, January 21, 2015

Playing It My Way - Sachin Tendulkar

When I was a little kid, our main sport was always 'football'. Yes, at that time too we had another sport called 'cricket' - but that was just another game, like hockey, tennis or badminton. The ICC world (Prudential) cup win in 1983 changed the whole picture. Very soon cricket took the prime spot in Indian sports world. And all of a sudden cricket became the single religion in the mind of numerous sports fan of India when a little kid named Sachin Ramesh Tendulkar started playing amazingly for the national cricket team.

The book, "Playing It My Way" is not just a mere autobiography - it is the life of a great man. No book can sum up an entire journey of 24 years of anyone's life. Nevertheless, this book made me nostalgic about how my childhood days were spent seeing this great man on TV. 

There are many similarities with my own life - like the way Sachin grew up in a close knit, middle class family - the sacrifice made by his parents and elder brothers, the discipline, dedication and hardwork, the love & caring between the siblings, the camaraderie that he shared with his brothers, the love for good music - all made this book an awesome read. His love towards his wife, care for kids, respect for his beloved parents and his guidance to his team mates will always be respected. 

The straightforwardness, the uncomplicated approach Sachin has towards his life, along with the devotion towards his family, the patriotism and the attention to the minutest details of the sport are the key impressions one takes away and keeps with oneself as one completes this book. 

Being a Calcuttan I was a big fan of Saurav Ganguly, but I was never a less fan of Sachin. He has given us so many moments of pride being an Indian and arguably no one else can give the same amount of glory to India in cricket world. The book did bring back many glorious memories, all the affection we felt for this man ever since 1992 - that's the time when many of us seriously started watching Indian cricket... 

Read here one of the fascinating chapters, "Childhood" from this amazing book. I deliberately didn't upload few more chapters here, because this autobiography will benefit charitable causes as the proceeds from the sale will be used to support the charitable causes like the alleviation of malnutrition in children and the provision of clean water to the underprivileged. 

Long live Master Blaster. You have earned love and respect of billions...

Playing It My Way
(Size 13.8 MB)

Saturday, January 17, 2015

পাঁচটি হাসির গল্প - শিবরাম চক্রবর্তী

খুব ছোটবেলায় বাবার মুখে বারে বারেই শুনতে চাইতাম সেই 'মশা-মাছির পান্তুয়া/রসগোল্লা খাবার' গল্পটা, আর বাজারের বড়ো মিষ্টির দোকানটার সামনে দাঁড়িয়ে, জুলুজুলু চোখে সেই দোকানের কাঁচের শো-কেসের ভিতরে থাকা, থরে থরে সাজানো মিষ্টিগুলোকে খালি দেখতাম আর ভাবতাম, ইসস - আমিও যদি সেই গল্পের মতো মশা-মাছির ছল করে মিষ্টি খাবার একটা সুযোগ যদি কোনোমতে পেতাম!!  আরেকটু বড়ো হবার পর অবশ্য জানতে পেরেছিলাম যে সেই গল্পটা ছিলো প্রখ্যাত লেখক শিবরামের অমর সৃষ্টি। 

হাসির গল্প লেখা মোটেও সহজ কাজ নয় - তার উপর 'ছোটোদের হাসির গল্প' ছোটোদের মতো করে লেখা ঢের, ঢের বেশি কঠিন। খুব কম লেখকই সেই দুটো হার্ডল অনায়াসেই পার হয়ে গিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে অবশ্যই অন্যতম হলেন শিবরাম চক্রবর্তী।  বড়োদের জন্যেও তিনি লিখে গেছেন বেশ কিছু অসাধারণ গল্প ও উপন্যাস। কিন্তু স্রেফ হর্ষবর্ধন-গোবর্ধন ক্যারেক্টার দুটির জন্যেই তিনি নির্দ্বিধায় বাংলা সাহিত্যের জগতে চিরটাকালই এক অনন্য স্থান আলোকিত করে থাকবেন। 
শিবের শক্তি +  রামের ভক্তি = শিব্রাম !
এই পোস্টে অবশ্য কেবল হর্ষবর্ধন-গোবর্ধন নিয়ে নয়, বরং শিবরামের লেখা অন্য কয়েকটি দারুণ মজার গল্প আপলোড করা হলো। শিবরামের গল্প অন্যান্য ব্লগেও প্রচুর আছে - তবে সেগুলি দেব সাহিত্য কুটীরের পূজাবার্ষিকীতে যে-আকারে প্রকাশিত হয়েছিলো, সেভাবে কিন্তু নেই - আর সে জন্যেই আমার এই পুনর্বিড়ম্বনা....

শিবরামের পাঁচটি 
হাসির গল্প (16 MB)

Friday, January 9, 2015

Rip Kirby - Danger in Key Diablo

Raymond's skill and talent reached to its peak with Rip Kirby. After returning from WWII Raymond did not resume Flash Gordon because of King Feature's contract with Austin Briggs. To keep Raymond with them, they let him produce a new feature. Thus it's debatable if King Features editor Ward Greene created the character, that was later more fully developed by writer Fred Dickenson. 

But whether Alex Raymond created the character or not, it was his success and name recognition that really mattered with his audience. It gave Raymond part ownership in the strip. Raymond was also like his character, with many of the qualities of the famous detective. More sophisticated and urbane than the average artist, he was a striking figure, handsome, athletic, hugely talented and admired among his peers. Raymond's art influenced many of the talented comic artists of today.

Raymond constantly looked for different ways to carry the story visually to readers with experimentation in his style. He used models, took reference photographs, and swiped from magazines in his efforts to absorb different approaches. He worked close to deadlines, leaving only three weeks of strips at the time of his death from an auto accident. Abandoning the old soap opera approach of a simpler outline style, Raymond brought numerous slick advertising techniques to the daily.

Always in firm control of his art and career, King Features offered Raymond $35,000 a year to produce a Sunday Rip Kirby page. Raymond declined citing the extra work the page would impose on his already limited free time.

To mention a few of his achievements, Raymond won the coveted Ruben Award in 1949 for Rip Kirby, was a member of the Society of Illustrators, and served as president of the National Cartoonists Society for 1950 and 1951. Even when producing both magazine and book illustration, and his combat paintings displayed in the National Gallery of Washington, DC, Raymond still always championed the comic strip as his preferred art form. 

He once said, "I decided honestly that comic art work is an art form in itself. It reflects the life and times more accurately and actually is more artistic than magazine illustration -- since it is entirely creative. A comic artist is playwright, director, editor and artist at once..."

Read here one of the vintage Rip Kirby adventures, "Danger in Key Diablo" in B&W - it originally continued from Feb,1953  to May, 1953.

Pagan's Plight (67 MB)
Danger in Key Diablo 
   (Size: 43 MB)

Saturday, January 3, 2015

বঙ্গদেশের রঙ্গ - ময়ুখ চৌধুরী

বাংলার কমিকস জগতে অন্যতম সেরা শিল্পীর নাম হলো 'ময়ুখ চৌধুরী' - বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর অগাধ জ্ঞান, সঙ্গে অপূর্ব হস্তাক্ষর এবং বাংলা ভাষায় তাঁর অসাধারণ দখল তাঁকে গড়পরতা অন্যান্য শিল্পীদের থেকে বেশ কয়েক ধাপ এগিয়ে রেখেছিলো। ষাটের দশকে শুরু করে পরবর্তী চার দশক ধরে তিনি লিখে গেছেন অসংখ্য চিত্রকাহিনী, গল্প   উপন্যাস।  

হাস্যরস বা কৌতুকের থেকে তাঁর রচিত চিত্রকাহিনীগুলির মূল আকর্ষণ ছিলো অ্যাডভেঞ্চার, রোমাঞ্চ ও উত্তেজনা। ঐতিহাসিক ঘটনাবলীর থেকে আরণ্যক পরিবেশ ও বন্যপশুদের প্রতি তাঁর পক্ষপাতিত্ত্ব ছিলো অনেক বেশি। সেই সব কমিকসগুলিতে প্রতিটি প্রাণীর শারীরিক বৈশিষ্ট্য ও চলাফেরার ছন্দ, গতি নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছিলো। আফ্রিকা-ব্রাজিলের জঙ্গল, সিংহ, জেব্রা, ব্ল্যাক প্যান্থার, বাফেলো, অজগর, কুমীর, বেঙ্গল টাইগার, চিতাবাঘ, ইত্যাদি নানান চেনা-অচেনা জীবজন্তু তাঁর তুলির আঁচড়ে যেন জীবন্ত হয়ে ফুটে উঠতো।  

তাঁর পিতৃদত্ত নাম ছিলো "শক্তিপ্রসাদ রায় চৌধুরী" - ময়ুখ চৌধুরী ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে তিনি আরো তিনটি ছদ্মনাম ব্যবহার করেছিলেন - 'সূত্রধর গুপ্ত', 'আত্মনাম গুপ্ত' ও 'রাজা রায়'। কমিকস ছাড়াও তিনি নানান গল্প-উপন্যাসও লিখে গেছেন - সেই সুবাদে তাঁকে নির্দ্বিধায় সাহিত্যিকও বলা চলে। বাংলা চিত্রকাহিনীগুলিকে তিনি দিয়েছিলেন সাহিত্যের মর্যাদা। তাই বাংলা তো বটেই, এমন কি গোটা ভারতবর্ষের শ্রেষ্ঠ কমিকস-সাহিত্যকার বিচারে নি:সন্দেহে তাঁর নামই প্রথমে আসবে।  

এই পোষ্টে প্রয়াত ময়ুখ চৌধুরীর লেখা 'বঙ্গদেশের রঙ্গ' কমিকসটি দেওয়া হলো। মানুষ ও ভয়ংকর রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মধ্যেকার অন্তর্নিহিত ভালবাসাই হলো এই চিত্রকাহিনীটির মূল বক্তব্য। সুরেশ বিশ্বাস ছিলেন পশ্চিম বাংলার অন্তর্গত নদিয়া জেলার এক তরুণ, দু:সাহসী বাঙালী, যিনি ছিলেন হিংস্র জন্তু-জানোয়ারের খেলায় সিদ্ধহস্ত। পরবর্তী জীবনে তিনি ব্রাজিলের সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন ও এক সময়ে "কর্নেল" পদে উন্নীতও হন। সেই বিস্মৃত বাঙালি, "কর্নেল সুরেশ বিশ্বাস"-কে নিয়ে ব্রাজিলের পটভূমিকায় এক বিশ্বাসযোগ্য রোমাঞ্চকর কাহিনী গড়ে তুলেছিলেন ময়ুখ চৌধরী। এই কাহিনীটি ইতিহাস নির্ভর হলেও, এটি হলো কল্প-ইতিহাস বা আদ্যন্ত কাল্পনিক রচনা। জীবজন্তু ও ইতিহাসকে বিষয় করে সাহিত্যধর্মী বর্ণনায় করা এই রচনাটি প্রকাশ করার মাধ্যমটি ছিলো "অ্যাকশন-অ্যাডভেঞ্চার কমিকস", বর্তমানে যাকে বলা হয়ে থাকে "গ্রাফিক্স নভেল"। কাহিনীর নায়ক সুরেশ বিশ্বাসের মতোই লেখক-শিল্পী ময়ুখ চৌধরীও ছিলেন এক ব্যতিক্রমী বাঙালী, যিনি জীবজন্তু নিয়ে খেলতে ভালোবাসতেন - তবে তা সার্কাসের স্টেজে নয়, বরং ছবি ও গল্পের আকারে। 

এই গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিলো 1970 সালে (বাংলা ১৩৭৭ সাল) দেব সাহিত্য কুটির থেকে প্রকাশিত 'মনিহার' পূজাবার্ষিকীতে। সম্প্রতি ব্রাজিলবাসী এক কমিকস পাঠকের (Celso Nunes) অনুরোধে বাংলায় লেখা এই চিত্রকাহিনীটি আমি ইংরাজিতে অনুবাদ করে ফেলি। পরে আবার সেখান থেকেই এই কমিকসটিকে পর্তুগীজ ভাষায় অনুবাদ করা হয়ে থাকে। সেই বাংলা, ইংরাজী ও পর্তুগীজ, তিনটি ভাষার  কমিকসই এখানে একসাথে আপলোড করা হলো। The original 'Portuguese' version can also be downloaded from site.

জীবিতকালে ময়ুখ চৌধুরী তাঁর প্রাপ্য নাম-মর্যাদা, খ্যাতি-প্রশংসা, বেতন-মজুরি বা প্রচার কিছুই তেমন পান নি। মৃত্য পরবর্তীকালে তাঁর রচিত অসাধারণ চিত্রকাহিনীগুলির সাথে যদি দেশী-বিদেশী কমিকস পাঠকেরা পরিচিত হন, তাহলে তাঁর পরলোকগত আত্মা কিছুটা শান্তি ও আনন্দ অনুভব করবেন, এইটুকুই যা আমাদের আশা ও প্রার্থণা।