Monday, April 4, 2016

বিশ্বাসে মিলায়, তর্কে বহুদূর

ঈশ্বর আছেন কি না তা সত্যিই এক বড় রহস্যময় প্রশ্ন। জীবনে বহুবার এমন কিছু অসহায় পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি যে মনে হয়েছে যে ঈশ্বরের সরাসরি হস্তক্ষেপ ছাড়া সেখান থেকে পরিত্রাণ পাওয়া আমার পক্ষে সম্ভবপর ছিলো না। আবার অন্যদিকে বহু জটিল পরিস্থিতিতে ঈশ্বরকে একমনে ডেকেও কোনো লাভ হয়নি। হয়তো বা আমার সেই ডাকের মধ্যে তেমন আকুলতা ছিলোনা, বা নিষ্ঠার অভাব ঘটেছিলো। 

ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি আমাদের বাড়িতে নিয়ম করেই দু'বেলা পূজা-আর্চা হতো। নিম্ন-মধ্যবিত্তের সংসারে পুজারী ব্রাহ্মণ ডেকে, মন্ত্র-উচ্চারণ সহ পুজা করার সামর্থ্য আমাদের ছিলো না। অগত্যা ফুল-দূর্বা-ভোগ সহযোগে, কাঁসর-শঙ্খধ্বনি ও ঠাকুর প্রণামের মধ্যে দিয়ে, কিছুটা অনাড়ম্বর ভাবেই মূলত: আমাদের বাড়ির পুজাগুলি সম্পন্ন হতো। সেই কারণেই কি না জানিনা, ছোটবেলায় তেমন কোনো বড়োস দুর্ঘটনা, বা অমঙ্গলের কালো ছায়া আমাদের পরিবারে দেখা দেয়নি। মা-পিসিমা বহুবারই বাড়ির ছাদের ঠাকুরঘরে 'অন্য কোনো এক কিছুর' উপস্থিতি লক্ষ্য করেছিলেন। আমার কপালে তেমন কিছু দেখার সৌভাগ্য না-ঘটলেও গভীর রাতে নূপুরের মিষ্টি-ধ্বনি সহযোগে অদ্ভুত সুন্দর, অপার্থিব কোনো এক কিছুর সুঘ্রাণ বহুবারই আমি ঘুমের মধ্যে উপলব্ধি করেছিলাম।   


'বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর...'

জীবনের মাঝপথে এসে বুঝেছি ঈশ্বরের অস্ত্বিত্ব যুক্তি দিয়ে বোঝা সম্ভব নয় - এটা এক শুধুই অনুভুতি মাত্র। যার মধ্যে ধর্ম নেই, মন্ত্র নেই, বাহ্যিক আড়ম্বর নেই  - আছে শুধু ঐ অনুভুতি। জাগতিক বাস্তব সমস্ত কিছুর বাইরে, অন্য কোনো এক কিছুর অস্তিত্ব। পোশাক, চামড়ার রং, উঁচু জাত-এর গাম্ভীর্য্য থেকে শুরু করে আমরা অনেক কিছু পরে আছি - আস্তরণের পর আস্তরণ দিয়ে আমরা ঢেকে আছি। এক এক রকমের অহংকারের পলেস্তরা ধীরে ধীরে আমাদের মধ্যে থাকা আসল 'আমি'কেই গ্রাস করে  ফেলেছে। সেই আস্তরণ, অহংবোধ থেকে মুক্ত না-হতে পারলে এ জীবনে ঈশ্বরের দর্শন সম্ভবপর নয়। 

ভক্তের মনোবাসনা পূর্ণ করার মানসে যুগে যুগে মানুষের পৃথিবীতে আবির্ভাব ঘটে ভগবানের। ভক্ত মানুষের আকুল প্রার্থণায় সাড়া দিয়ে ভগবান তার সুখ-দুঃখের অংশীদার হয়ে লীলার প্রকাশ করেন। অসহায় বিপন্ন মানুষ ভগবানের সংস্পর্শে এসে জীবনকে পরিপূর্ণতার পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহস পায়।

এই পোস্টে আমি এমনই দুটি গল্প তুলে ধরলাম যেখানে ভক্তের চরম বিপদে স্বয়ং ঈশ্বর সাহায্যের জন্যে এগিয়ে এসেছিলেন। বিশ্বাস-অবিশ্বাসের দায় রইলো পাঠকদের হাতে।


বিশ্বাসে মিলায়,
তর্কে বহুদূর
(SIZE: 7 MB)

ACK - Gopal and 
the Cowherd
(SIZE: 14.1 MB)



   

Saturday, April 2, 2016

'ফেরিওয়ালা' (The Peddler) - লাকি লুক( Book# 50)

ইন্দ্রজাল, টিনটিন, আর অ্যাস্টেরিকসের পর আর কোন ভালো কমিকস পড়া যায়, তা ভাবতে ভাবতে একসময় "লাকি লুক" পড়া শুরু করেছিলাম। এই সিরিজের সবকটা গল্পই যে দারুণ ভালো, তা কিন্তু নয় ঠিকই - তবুও এর স্ট্যান্ডার্ড অন্যান্য পপুলার হাসির কমিকসের থেকে অনেক বেশি উঁচু-তারে বাঁধা - অন্তত: আমাদের দেশের কমিকসদের থেকে তো বটেই ! আরও আশার কথা হলো যে এই সিরিজটি এখনও নিয়মিত ভাবে প্রকাশিত হয়ে চলেছে। 

বেলজিয়ান কমিকস আর্টিস্ট মরিসের (Maurise De Bevere, 1923-2001) আঁকা ছবিগুলির মধ্যে কথাবার্তা ছাড়াই গল্প বলার প্রবণতা লক্ষ্য করা যেতো, যার ফলে পাঠকের কাছে তাঁর আঁকা ছবিগুলো ঠিক যেন Movie-র ফ্রেম বলে মনে হতো --- চোখ দিয়ে দেখার মধ্যেই পাঠক বুঝে যেতো কি ঘটে চলেছে। 'Basic Four Color Tradition'-এর সীমাবদ্ধতার মধ্যে থেকেও যে কি অসাধারণ, রঙীন কমিকস আঁকা যায়, তা লাকি লুকের এই গল্পগুলি পড়লে বোঝা যায়।   

এই পোস্টে আশির দশকের লাকি লুকের তেমনই সাধারণ এক ছোট্ট গল্প বাংলায় অনুবাদ করার দু:সাহস দেখালাম - ভালো কি মন্দ তা পাঠকেরাই বিবেচনা করে বলতে পারবেন। 

ফেরিওয়ালা (The Peddler) - Book# 50

PLOT:
"The Peddlerগল্পের নামকরণ করা হলো 'ফেরিওয়ালা' - এই গল্পে মরিস পাঠকদের সামনে তুলে ধরেছেন এক দারুণ সুন্দর চরিত্রকে। 'Mr. W FlatShoe', ওরফে 'ঝুনঝুনওয়ালা', যিনি পণ্য ও বস্ত্র বিক্রি করে বেড়ান। ডাকাতরা যখন তাঁকে ঘিরে ফেলে লুঠপাঠ শুরু করেছে, ঠিক তখনই লাকি লুক সেখানে হাজির হয়ে তাঁকে বাঁচান। অত:পর কৃতজ্ঞতাবশত: তিনি লাকি লুককে ডিনারে আমন্ত্রণ জানান তার মজুদে থাকা নানান জিনিষপত্র সাজিয়ে। পরবর্তীকালে দেখা যায়, যে কোনও দুর্যোগের মোকাবিলা করার মতো সরঞ্জাম নিয়ে তিনি সর্বদাই প্রস্তুত। তিনি একাই এক দারুণ মজার চরিত্র। 

গোসিনি-মরিসের যুগলবন্দীতে যে কি নির্মল, সুন্দর গল্প সৃষ্টি হতে পারে তা পড়ে সত্যিই অবাক হয়ে যেতে হয়।    

Stats:
Script & Drawings: René Goscinny & Morris
Series: Lucky Luke - Book# 50 (Seven stories, 44 pages)
Original Release: 1986
Baundule (7 MB)
ফেরিওয়ালা- লাকি লুক 
   (Size: 9.5 MB)



Friday, March 25, 2016

পটলডাঙ্গার টেনিদা - নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

"ডি-লা-গ্রান্ডি মেফিস্টোফিলিস - ইয়াক্, ইয়াক্ !!" ছোটবেলায় যে কতোবার পড়েছি, আর কতোবার আউড়েছি তা বলাবাহুল্য। কিশোর সাহিত্যের জগতে "টেনিদা" একটি অবিস্মরণীয় নাম। তোপসের "ফেলুদা" ছিলেন যেরকম সাহসী, বুদ্ধিদীপ্ত - পটলডাঙ্গার টেনিদা হলেন ঠিক সেরকমই গুলবাজ, পেটুক, আর ভীতু এক চরিত্র।

নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের সৃষ্ট এক অসাধারণ চরিত্র হলো "পটলডাঙ্গার টেনিদা"। বাংলা ভাষায় হাস্যরস নিয়ে বহু গল্পের বইই রচিত হয়েছে - ভবিষ্যতেও হবে। কিন্তু "টেনিদা" নামটা চিরটাকালই অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে। টেনিদার গল্পগুলোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে যে এখানে কোনো কষ্ট নেই, পুরোটাই নিখাদ হাস্যরসে আর নির্মল আনন্দে ভরপুর। কিশোরদের জন্যে লেখা নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রায় সব গল্পতেই হাস্যরসের মাত্রা লক্ষ্যনীয়, কিন্তু তার মধ্যেও টেনিদাকে নিয়ে লেখা উপন্যাস বা গল্পগুলোতে হাস্য-কৌতুকের মাত্রাটা আসলেই কূল-ছাপানো। 

পটলডাঙ্গার  টেনিদা এক আজব চরিত্র - সেটি এমনই অনন্য যে তাকে আর কারো সাথেই তুলনা করা যায় না। বারংবার পরীক্ষায় ফেল করার পরেও তার সেটা নিয়ে কোন আফসোস নেই। বরং সে গর্ব করে বলে, "পাশ তো সবাই করে যায় কিন্তু ফেল কয়জন করতে পারে ?" আবার ভোজন রসিক, ওরফে 'পেটুক' টেনিদার মতো খাইয়ে চরিত্র বাংলা সাহিত্যে খুব কমই দেখা যায়। একদমে গোটা আটটা সিঙ্গারা খাওয়া, কিম্বা খান তিরিশেক পিঠে-পুলি হজম করে ফেলা টেনিদার কাছে কোনও ব্যাপারই নয়। আর যখন বিপদ সামনে থেকে চলে যায় তখনই টেনিদার আসল সাহসের পরিচয় পাওয়া যায়। কিন্তু বিপদের সময় তার সব সাহস উধাও। লেখনীর মধ্যে হিউমারের অ্যাতো সার্থক এবং স্বতস্ফুর্ত ব্যবহার খুব কম লেখকের লেখাতেই দেখা যায়।

প্রথম প্রকাশ: ফাল্গুন ১৩৭৭ (বেঙ্গল পাবলিশার্স)

নগর জীবনে হাজার ব্যস্ততার ভিড়ে আজ আমরা প্রায় হাসতেই ভুলে গেছি। সারাদিন শুধু কাজ, টেনশান, আর হরেক রকমের ব্যস্ততা। তা সেই মেকি ব্যস্ততার ভিড়ে কিছুটা সময়ের জন্যে হলেও নির্মল আনন্দের বড়োই প্রয়োজন - আর সেটা সু-সাহিত্য ছাড়া কেইই বা আমাদের যোগান দিতে পারে ?

মাত্র ২০ টাকা দিয়ে সেকেন্ডহ্যান্ড এই বইটি আমি কিনেছিলাম আমাদের পাড়ার বইমেলা থেকে। এর মধ্যে প্রকাশিত গল্পগুলি ইতিমধ্যেই বিভিন্ন বইতে বা সংকলনে অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছে। কিন্তু মনে হয়না যে আদি সংস্করণ থেকে সেগুলি পড়ার সুযোগ খুব বেশি কেউ পেয়েছেন। এই পোস্টে সেই দূর্লভ বইটি থেকে দারুন মজাদার পাঁচ-পাঁচটি গল্প আপলোড করা হলো। T20-র উইকেন্ডে আসুন আবার সবাই একটু প্রাণ খুলে হাসি, আর "মওকা, মওকা" গেয়ে ইন্ডিয়াকে সেমিফাইনালে তুলে দিই !!!


পটলডাঙ্গার টেনিদা
(SIZE: 16.5 MB)




Friday, March 18, 2016

A Tribute to Harry Lucey, a forgotten artist

Like so many of the other men who entertained generations of children, Harry Lucey remains as anonymous in death as he was in life.

Born in 1913, Lucey graduated from Pratt University in 1935 as an illustrator, and his career in comics began in the late 1930s. He bounced around various companies in the 1940s, drawing such characters and features as Madam SatanMagnoCrime Does Not Pay, and even, for a handful of issues, Captain AmericaHe worked with Bob Montana in a studio on Union Square (New York) in the early 1940s prior to their induction into the army. Lucey and Montana graphically created the characters in the 'Archie' comic series. 

 Sam Hill, the 'Private Eye' series
During World War II, Lucey, along with Montana, worked as photo interpreters and map makers in Colorado Springs, Colorado. When he was discharged from the army in St. Louis, Missouri, he began doing magazine and other types of illustration for Ralston Purina and Burts, Bakers, and Chandler's Shoes. He eventually moved back to New York with his family, and was re-employed by Archie Comics Publications in 1949. Lucey was one of the regular 'Archie' comic book artists from the 1950s to the 1970s. 

In most years Lucey penciled and inked a page a day, often drawing the complete contents of the Archie comic book every month in the late 1950s and early 1960s.

Lucey’s work is distinguished by his close attention to the body language, or acting, of every character he drew. Each aspect of a Lucey figure is drawn to express what that character is feeling at that moment. Posture, position and facial expression are all geared toward maximizing that moment in the story, and Lucey was equally dedicated to refining the depiction of action with a minimum of lines.

The Private Eye Series
The character Sam Hill, an “Ex Ivy League halfback” private eye with a white streak in his hair, is rendered with loving precision and an acute attention to detail. Lucey was certainly influenced by film noir’s expressionist angles. The sixth page of The Cutie Killer Caper contains six panels, all drawn from a different angle — from below Sam Hill to over a cop’s shoulder, to above Hill and the cop, and finally to a level over-the-shoulder shot from behind Hill.

Lucey never returned to Sam Hill after his final issue, and toward the 1960s he developed an allergy to graphite, reportedly wearing white gloves while drawing. In the 1970s he was diagnosed with Lou Gehrig’s disease and, sometime later, cancer. He refused treatment for the latter and died in Arizona in August, 1984 (based on Ancestry.com search from all these complications.

Read here two vintage detective stories of Sam Hill adventures... Happy Weekend...

Sam Hill's Adventures
(Size: 14.6 MB)



Saturday, March 12, 2016

ওস্তাদের মার - রাজকুমার মৈত্র

"আমপাতা জোড়া জোড়া,
  মারবো চাবুক ছুটবে ঘোড়া   
ওরে বিবি সরে দাঁড়া    
আসছে আমার পাগলা ঘোড়া -
পাগলা ঘোড়া  ক্ষেপেছে ,  
বন্দুক ছুঁড়ে মেরেছে -
অল রাইট ভেরি গুড,       
সাহেব খায় চা-বিস্কুট" 
(প্রচলিত)  


"ছোটবেলা" মানেই অনেক কথা, অনেক স্মৃতি - বেশীরভাগই অনাবিল সুখের স্মৃতি, যার বেশ কিছু অংশ জুড়ে আছে হরেক রকমের গল্পের বই, আর অবশ্যই মোটা মোটা দেব সাহিত্য কুটিরের পূজাবার্ষিকী।

সারাটা বিকেল মাঠ চষে ধুলো মেখে খেলার পর সন্ধ্যে গড়িয়ে গেলে আমরা দঙ্গল বেঁধে হাজির হতাম "হরির লুঠের" বাতাসা লুঠতে। গোবরজল দিয়ে মোছা ঝকঝকে তকতকে, পরিষ্কার উঠোনের চণ্ডী-মণ্ডপটার সামনে বেতের ধামা-বোঝাই বাতাসা নিয়ে বন্ধুর ঠাকুমা থাকতেন দাঁড়িয়ে। আর তাঁর পিছনেই অধীর আগ্রহে থাকতো এক দঙ্গল উঠতি ছেলেদের দল, অর্থাৎ আমরা, যে-যেখানে পারি যেমন ভাবে - কেউ উবু হয়ে, কেউ দাঁড়িয়ে বা বসে, কেউ আবার বসা আর দাঁড়ানোর মাঝামাঝি এক হাস্যকর অবস্থায়.... হাততালি সহযোগে হরিগানের পালা শেষ হতেই আকাশ থেকে যেন ফুলঝুরির মতো করে ঝরে পড়তো ছোট-বড়ো-মাঝারি, নানান সাইজের রসালো বাতাসার ঝাঁক - মুহূর্তের মধ্যেই আমরা পাগলের মতো কুড়োতে লেগে যেতাম, চোখের পলক না-ফেলেই আমরা একে-ওকে ঠেলে-ঠুলে, যে যেক'টা পাই হাতে-পকেটে-মুখে ভরে ফেলতাম। ধুলোভর্তি হাতে খাদ্য-দূষণের প্রহেলিকা তখনও আমাদের মাথাতে আসেনি, আর তাছাড়া হরির লুঠের বাতাসায় আবার দূষণ কি !!

সেই একই রকম সমস্যার মুখোমুখি হতাম যখন কপাল গুণে পূজার সময় বাড়ীতে দেব সাহিত্য কুটিরের পূজাবার্ষিকী আসতো চলে। কে আগে পড়বে, কেন আগে পড়বে, কোন গল্প আগে পড়বে সেই নিয়ে ভাই-বোনেদের মধ্যে মোটামুটি একটা খণ্ডযুদ্ধ শুরু হয়ে যেতো !! বাবার হাঁকুনি সময়মতো না-আসলে হয়তো গোটা বইটাই খণ্ড খণ্ড হয়ে যেতো!! তা, সেই রাজাও আর নেই, রাজত্বও আর নেই - পড়ে আছি শুধু আমি, একরাশ স্মৃতি আর বেশ কিছু হারানো দিনের বিবর্ণ হয়ে যাওয়া বইদের নিয়ে। 

'বগলা মামা' সিরিজের শেষ গল্প পড়তে গিয়ে 'মণিহার' পূজাবার্ষিকী হাতে করে সেই সব দিনগুলোর কথাই খুব বেশী করে মনে পড়েছে। এই গল্পটি নিয়ে এই ব্লগে আমি সর্বসমেত ১৩টি বগলা মামার অ্যাডভেঞ্চার ব্লগ-পাঠকদের সামনে তুলে ধরলাম। আমার জানা মতে আর কোনও 'বগলা মামা'-র গল্প প্রকাশিত হয়নি - তবে দেব সাহিত্য কুটিরের সবক'টি পূজাবার্ষিকী এখনও আমার নেই - আর তাই দুরাশা আছে যে আমার সেই ধারণা ভুল প্রমাণিত করে কেউ একজন নিশ্চয় এখানে জানাবে যে আরও কিছু 'বগলা মামা' রয়ে গেছে আমাদের মাঝে।

'মণিহার' পূজাবার্ষিকী (১৩৭৭)
~ ~ ~ ~ ~ 

বগলা মামার গল্পের সাথে ফাউ হিসাবে রইলো আরও দুটি গল্প। প্রথমটি  হলো স্বপনবুড়ো-র লেখা "রুমমেট" - আর দ্বিতীয়টি হলো শৈল চক্রবর্তীর লেখা হাসির গল্প "বাবল বাবল"। দুটি গল্পই একসময় আমার পড়তে বেশ ভালো লাগতো - এখনও লাগে। আশা করি বাকীদেরও নিশ্চয় ভালো লাগবে...

'মণিহার' পূজাবার্ষিকী (১৩৭৭)

হার্ড বাইন্ডিংয়ের জন্যে স্ক্যান করতে গিয়ে বইটির দু-পাতার মাঝের অংশের লেখা কিছুটা ঝাপসা, আর এঁকেবেঁকে হয়ে গেছে - কিন্তু গল্পের কোয়ালিটির তুলনায় সেই সামান্য ত্রুটি আশা করি পাঠকদেরকে তেমন বিব্রত করে তুলবে না। বইটিকে সময়মতো বাঁধিয়ে ফেলায় এখনও অবধি পঠনযোগ্য অবস্থাতেই রয়ে গেছে, কিন্তু দুঃখের কথা, বইটির কভার পেজটিকে আর ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। 




ওস্তাদের মার ও অন্যান্য  
(Size: 14 MB)







Friday, February 26, 2016

Two For The Price of One - John Stanley


"Two for the Price of One" follows Walter, a cad, and his wife, Paula. Stanley methodically takes his time setting up the story, as Walter prepares an elaborate ruse that slowly goes terribly wrong. As with all of his work, Stanley's characters, no matter how cartoony, have an interior life -- Paula seems at first cruel but then vulnerable, and Walter's mistress seems genuinely desperate.

This is not just an eight-page morality play, like so many other horror comics; Stanley makes his reader actually care about the characters.




John Stanley (1914 - 1993)
John Stanley was an American cartoonist and comic book writer, best known for writing Little Lulu comic book stories from 1945 to 1959. While mostly known for scripting, Stanley also drew many of his stories, including the earliest issues of Little Lulu and its Tubby spinoff series. His specialty was humorous stories, both with licensed characters and those of his own creation. 

Increasingly dissatisfied with his treatment by his publishers, Stanley left comics for good in 1971. In the 1970s and 1980s he worked first for a silkscreen company and then in advertising before his eventual retirement. He left behind an enormous and multifaceted legacy in comics that is just now being rediscovered.


Read here one of the rarest comics created by John Stanley.

Asterix and the Magic Carpet (29 MB)
Two for The Price of One
   (Size: 9 MB)


Sunday, February 21, 2016

Rip Kirby - Liquid Murder (The Official Rip Kirby #3)


As Rip prepares to carry the formula of a momentous scientific discovery to the authorities in Washington, dark forces prepare to waylay his plans and claim the invaluable prize for themselves. Effecting a dramatic escape from a life sentence for murder from Alcatraz prison, arch-criminal The Mangler learns of Rip’s train journey to the capital and assembles his old goons in an audacious bid to hold the world to ransom...

The former Marine Corps major, Rip Kirby is a scientific detective in the finest traditions of Sherlock Holmes. He possesses a superior intellect and a brilliant wit.

Kirby combines physical violence with worldly wisdom and thorough police procedure to solve difficult cases. He wears glasses, smokes a pipe, plays chess and appreciates both complex music and fine French brandies.
Liquid Murder (October, 1988)
Alex Raymond created 'Flash Gordon'' to compete with Buck Rogers. Not stopping there, he went on to create 'Jungle Jimas a rival to Tarzan of the Apes. Raymond also created 'Secret Agent X-9' along with 'Dashiell Hammett' and 'Rip Kirby', a two-fisted but intellectual detective.  Rip Kirby is considered by many to be Raymond's finest effort. It was his last as he dies in an auto accident while still creating the strip. Raymond is considered one of the three greatest comic creators of all time.

Rip Kirby was translated into French, Spanish and many other European languages as well as the in the Asian subcontinent and we all enjoyed Rip Kirby comics all the time. 
~ ~ ~ * ~ ~ ~
RK003: Liquid Murder
Original run in papers: 26/Jun/1946 - 04/Nov/ 1946
Story & Art: Alex Raymond


Pagan's Plight (67 MB)
The Official Rip Kirby #3
   (Size: 25.4 MB)


Sunday, February 14, 2016

ভয়ের মুখোশ - হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

কিশোর বয়সে যে কয়টি রহস্য কাহিনী মনে দাগ কেটে গিয়েছিলো সেই লিস্টের বেশ উপরের দিকেই থাকবে 'কবন্ধ বিগ্রহের কাহিনী' এবং 'ভয়ের মুখোশ'। দুটো কাহিনীরই লেখক ছিলেন শ্রদ্ধেয় হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়। টানটান অ্যাডভেঞ্চার আর ভৌতিক কাহিনী লেখার ব্যাপারে তিনি রীতিমত মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়েছিলেন। তখনকার দিনের (১৩৭৬ সাল) জনপ্রিয় মাসিক "শুকতারা" পত্রিকাতে ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হয়েছিলো "ভয়ের মুখোশ" উপন্যাসটি। কাহিনীর মূল চরিত্রে ছিলো দুই অদম্য সাহসী কিশোর, দীপক আর তপেন, ওরফে 'দিপু' আর 'তপু'। ক্লাস এইটে পড়া দুই দামাল কিশোরের অভিযান কাহিনীটি আমার জন্মের অনেক আগে প্রকাশিত হয়ে গিয়েছিলো। আমি অবশ্য এই কাহিনীটি অনেক পরে, লাইব্রেরি থেকে এনে প্রথম পড়েছিলাম। । 
প্রথম সংস্করণঃ আগস্ট, 1970
শুকতারাতে প্রকাশিত হবার বছরেই অর্থাৎ 1970 সালেই 'আনন্দ পাবলিশার্স' থেকে বই হিসাবে প্রকাশিত হয়েছিলো এই অসাধারণ উপন্যাসটি। যদিও শুকতারাতে প্রকাশিত হবার সময়ে ছবিগুলি এঁকেছিলেন নারায়ণ দেবনাথ মহাশয়, কিন্তু আনন্দ পাবলিশার্স থেকে বই হিসাবে প্রকাশের সময় প্রচ্ছদ সহ ছবি আঁকার ভার পড়ে শ্রদ্ধেয় পূর্ণেন্দু পত্রী মহাশয়ের উপর। 

বেশ কয়েকটি মজার ব্যাপার লুকিয়ে আছে এই কাহিনীটির পিছনে। প্রথমটি হলো শুকতারাতে প্রকাশিত হবার সময় কাহিনীটির নামের বানান ছিলো  'ভয়ের মুখোস' - অর্থাৎ দন্ত্য-'স' - কিন্তু বই হিসাবে যখন প্রকাশিত হয়েছিলো তখন সেই একই নামের বানান করা হয়েছিলো 'ভয়ের মুখোশ' - অর্থাৎ তালব্য-'!!  ব্যাপারটি ইচ্ছাকৃত, না কি প্রুফ রীডারের  চোখ এড়িয়ে গেছে তা বলা শক্ত, তবে 'মুখোস'-এর থেকে 'মুখোশ' বানানটাই আমার মনে হয় ব্যাকরণের দিক থেকে সঠিক। 
দ্বিতীয় মজার ব্যাপারটি হলো ১০৪ পাতার এই বড়ো কাহিনীটিতে কোনো পরিচ্ছেদ বা পর্বের উল্লেখ নেই - একদম সোজা, পাতার পর পাতা ধরে, ম্যারাথন দৌড়ের মতো ছুটে গিয়েছে কাহিনীর ধারা, যা খুব একটা চোখে পড়ে না। এটিও খুব সম্ভবত কোন এক অজানা কারণে লেখক এবং প্রুফ রীডারের চোখ এড়িয়ে গেছে। 

মাত্র ১২ টাকা মূল্যের এই বইটিকে কিনতে আমাকে একসময় বেশ বেগ পেতে হয়েছিলো, যা আজকের দিনে পিছু ফিরে ভাবলে বেশ হাসিই লাগে। 


ভয়ের মুখোশ
(SIZE: 31.2 MB)




Thursday, February 4, 2016

হারানো গ্রহের যন্ত্র মানব - শক্তিময় বিশ্বাস

সায়েন্স ফিকশন বা বৈজ্ঞানিক কাহিনী এবং কমিকস আমাদের দেশে এখনো পর্যন্ত খুব বেশী সংখ্যায় প্রকাশিত হয় না। সত্যি কথা বলতে গেলে বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীকে একটু খাটো চোখেই বরং দেখা হয়ে থাকে। 'শঙ্কু'-র অ্যাডভেঞ্চার কাহিনীগুলির সমাদর বা কাটতি 'ফেলুদা'র অ্যাডভেঞ্চারগুলির মতো কখনোই ছিলো না, হবেও না। কিন্তু তা স্বত্তেও বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীগুলি একবার পড়তে শুরু করে দিলে, খুব সহজে কিন্তু থামতে পারা যায় না, অন্তত আমার পক্ষে তো নয়ই ! 

সায়েন্স ফিকশন কাহিনীর বিষয়বস্তুগুলির মধ্যে অন্যতম পপুলার হলো 'টাইম ট্রাভেল', তারপরেই খুব সম্ভবত আসবে মানুষ ও যন্ত্রের মধ্যে ক্ষমতা দখলের চিরন্তন লড়াই - দুটি বিষয়ই আমার খুব পছন্দের। ছোটোবেলায় 'জনি সোকো অ্যান্ড হিস ফ্লায়িং রোবট' টিভি সিরিয়ালটি দেখার জন্যে সারা সপ্তাহ জুড়ে, লিট্যারালি হাঁ-করে বসে থাকতাম। গ্রহান্তরের মানুষেরা সুদূর অতীত আমাদের এই পৃথিবীতে আদৌ এসেছিলেন কি না, তা রীতিমত গবেষণা-তর্ক সাপেক্ষ বিষয়। একালের সুইস প্রত্নবিদ ডঃ এরিখ ফন দানিকেন নানান রকমের বেয়াড়া প্রশ্ন তুলে একসময় বেশ শোরগোল ফেলে দিয়েছিলেন। 

আমাদের দেশের অন্যতম জনপ্রিয় মহাকাব্য "রামায়ন"-এ কুম্ভকর্ণ ছিলেন একটি বিচিত্র চরিত্র। বাল্মীকি তাকে 'যন্ত্র' বলে অভিহিত করেছিলেন। অঙ্গদের জবানিতে বলেছিলেন 'এ রাক্ষসের যুদ্ধ করবার ক্ষমতা নেই, এ একটা ভীষণ বিভীষিকা মাত্র'। বিভীষণকে দিয়ে তিনি বলিয়েছিলেন 'যন্ত্রমেতৎ সুমুছ্রিতম' - কিন্তু কেন? কুম্ভকর্ণের ধরন-ধারণ লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে রাক্ষসের থেকে বরং রোবটের সাথেই তার অনেক বেশী মিল। চার্জ দেওয়া ব্যাটারিকে একটানা চালালে তার যেমন একটা নির্দিষ্ট আয়ু থেকে থাকে, কুম্ভকর্ণও ঠিক তেমনি ভাবে জেগে থাকতেন হাতেগুনে ঠিক একটানা ছয় মাস, আবার ঘুমাতে (না কি চার্জে ?) চলে যেতেন পরের ছয়মাস।


'রোমাঞ্চকর চিত্রকাহিনী'তে প্রকাশিত কল্পবিজ্ঞান কাহিনী
যন্ত্র ও মানুষের লড়াইয়ে সবসময়ই দেখানো হয়েছে যন্ত্ররাই ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে মানুষের উপর নির্মমভাবে চড়াও হয়েছে, কিন্তু সেই গল্পগুলির প্রায় সবকটিতেই আবার দেখা যায় আসল দোষটা কিন্তু ছিলো যন্ত্রের পিছনে লুকিয়ে থাকা কুচক্রী মানুষেরই।  

আজকের এই পোস্টে থাকলো যন্ত্র ও মানুষের লড়াই নিয়ে রচিত বহুপঠিত একটি কমিকস, শক্তিময় বিশ্বাসের "হারানো গ্রহের যন্ত্রমানব"। একরঙা এই কমিকসটি বার বার করে পড়েও যেন পুরানো হয় না। আজকালকার মহাবলী "গ্রাফিক্ নভেল" রচয়িতারা এরকম সাধারন বিষয় নিয়ে দারুণ দু-একটা কমিকস লেখার দুঃসাহস দেখান না কেন ?? 


হারানো গ্রহের 
যন্ত্র মানব
(Size: 12.7 MB)








Sunday, January 31, 2016

ঝিনুকের নৌকা - অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়


"আকাশে চুলের গন্ধটি দিয়ো পাতি,       
এনো সচকিত কাঁকনের রিনিরিন।  
আনিয়ো মধুর স্বপ্নসঘন রাতি,          
আনিয়ো গভীর আলস্যঘন দিন।   
তোমাতে আমাতে মিলিত নিবিড় একা ---  
স্থির আনন্দ, মৌনমাধুরী ধারা,           
মুগ্ধ প্রহর ভরিয়া তোমারে দেখা,            
তব করতল মোর করতলে হারা ।
(- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নিমন্ত্রণ)


  
প্রথম প্রেমের স্মৃতি কতকাল কুরে-কুরে খায় একজন মানুষকে ? সম্ভবত সারা জীবন। বিশেষত, সেই টান যদি গড়ে ওঠে বয়:সন্ধির বিপুল রোমাঞ্চময় এক প্রহরে, যখন শরীরে-মনে যুগপৎ ঘটে চলে পরিবর্তন, অনাস্বাদিত লজ্জা-শিহরণের গোপন ও রহস্যময় জগৎ একটু-একটু করে উন্মোচিত হতে থাকে চোখের সামনে - যেমন ঘটেছিলো ইন্দ্রনাথের জীবনে।
ফ্রক-পরা এক কিশোরী -- লাবণ্য যার নাম -- কিশোর ইন্দ্রের চোখে ফুটিয়ে তুলেছিলো প্রথম প্রেমের মায়াময় এক আবেশ। ফুটে উঠেছিলো লাবণ্য নিজেও - কিশোরী থেকে নারীতে। দাঙ্গা, দেশভাগ, সময়ের জটিল স্রোত দুজনকে ভাসিয়ে নিয়ে গেল একেবারে ভিন্ন দুই দিকে। তবু কি লাবন্যকে ভুলতে পেরেছে পরবর্তীকালের সফল সাংবাদিক ইন্দ্রনাথ ?

একটি ছোট্ট চিরকুটের সূত্র ধরে কীভাবে লাবণ্যের সঙ্গে নতুন করে দেখা হলো ইন্দ্রনাথের, কীভাবে চোখের সামনে ফিরে এলো প্রথম প্রণয়ের রোমাঞ্চমেদুর দিনগুলি-রাতগুলি, তাই নিয়েই এই উষ্ণ, নিপুণ, হৃদয়স্পর্শী উপন্যাস, 'ঝিনুকের নৌকা'।

প্রথম প্রকাশ: আনন্দ পাবলিশার্স, ডিসেম্বর(1990)
(প্রচ্ছদ: অমিয় ভট্টাচার্য)
প্রথম যৌবনে পড়া এই প্রেমের উপন্যাসটি আবার করে মধ্যযৌবনে এসে পড়লাম - এর মাঝে কেটে গেছে দীর্ঘ ২৬টি বছর - কিন্তু তবুও বিস্ময়ের সাথেই লক্ষ্য করলাম যে প্রথমবারের মতোই বেশ অভিভূত হয়ে পড়েছি, যদিও কাহিনীর শেষে কি ঘটতে চলেছে তা কিন্তু আগে থেকেই আমার জানা !!

কলেজ স্ট্রীটের 'নাথ ব্রাদার্স' থেকে যখন এই বইটি কিনেছিলাম তখন আমাদের একান্নবর্তী পরিবারের বাঁধন ছিলো অটুট। বাড়ীতে বয়স্ক অভিভাবকেরা সম্পূর্ণ নিজেরদের একটা লাইব্রেরী করার পরিকল্পনা নিয়েছিলেন। ঘরে ঘরে আলমারী ভর্তি, বাক্স-বোঝাই বইয়ের দল। নিজেদের নামাঙ্কিত রাবার-স্ট্যাম্পও চলে এসেছিলো বাড়ীতে। সুযোগ পেলেই আমরা তখন পুরানো-নতুন বই-পত্র, ম্যাগাজিন, পত্রিকা, যা-পাই সাধ্যের মধ্যে তাই কিনে এনে ছপ্পাছপ স্ট্যাম্প মেরে চলতাম। সে বহুদিন আগেকার কথা - কালের নিষ্ঠুর গ্রাসে সেই সব সযত্নে গুছিয়ে রাখা বইপত্রগুলি আজ হারিয়ে যাওয়া প্রিয়জনদের মতোই যে কোথায় হারিয়ে গেছে, তা কেউ জানে না। কিছু কিছু থেকে গেছে, এই যেমন একটি... 


Goti
ঝিনুকের নৌকা
(প্রথম অংশ)
(Size: 16 MB)

Goti
ঝিনুকের নৌকা
(শেষ অংশ)
(Size: 13 MB)