Friday, February 26, 2016

Two For The Price of One - John Stanley


"Two for the Price of One" follows Walter, a cad, and his wife, Paula. Stanley methodically takes his time setting up the story, as Walter prepares an elaborate ruse that slowly goes terribly wrong. As with all of his work, Stanley's characters, no matter how cartoony, have an interior life -- Paula seems at first cruel but then vulnerable, and Walter's mistress seems genuinely desperate.

This is not just an eight-page morality play, like so many other horror comics; Stanley makes his reader actually care about the characters.




John Stanley (1914 - 1993)
John Stanley was an American cartoonist and comic book writer, best known for writing Little Lulu comic book stories from 1945 to 1959. While mostly known for scripting, Stanley also drew many of his stories, including the earliest issues of Little Lulu and its Tubby spinoff series. His specialty was humorous stories, both with licensed characters and those of his own creation. 

Increasingly dissatisfied with his treatment by his publishers, Stanley left comics for good in 1971. In the 1970s and 1980s he worked first for a silkscreen company and then in advertising before his eventual retirement. He left behind an enormous and multifaceted legacy in comics that is just now being rediscovered.


Read here one of the rarest comics created by John Stanley.

Asterix and the Magic Carpet (29 MB)
Two for The Price of One
   (Size: 9 MB)


Sunday, February 21, 2016

Rip Kirby - Liquid Murder (The Official Rip Kirby #3)


As Rip prepares to carry the formula of a momentous scientific discovery to the authorities in Washington, dark forces prepare to waylay his plans and claim the invaluable prize for themselves. Effecting a dramatic escape from a life sentence for murder from Alcatraz prison, arch-criminal The Mangler learns of Rip’s train journey to the capital and assembles his old goons in an audacious bid to hold the world to ransom...

The former Marine Corps major, Rip Kirby is a scientific detective in the finest traditions of Sherlock Holmes. He possesses a superior intellect and a brilliant wit.

Kirby combines physical violence with worldly wisdom and thorough police procedure to solve difficult cases. He wears glasses, smokes a pipe, plays chess and appreciates both complex music and fine French brandies.
Liquid Murder (October, 1988)
Alex Raymond created 'Flash Gordon'' to compete with Buck Rogers. Not stopping there, he went on to create 'Jungle Jimas a rival to Tarzan of the Apes. Raymond also created 'Secret Agent X-9' along with 'Dashiell Hammett' and 'Rip Kirby', a two-fisted but intellectual detective.  Rip Kirby is considered by many to be Raymond's finest effort. It was his last as he dies in an auto accident while still creating the strip. Raymond is considered one of the three greatest comic creators of all time.

Rip Kirby was translated into French, Spanish and many other European languages as well as the in the Asian subcontinent and we all enjoyed Rip Kirby comics all the time. 
~ ~ ~ * ~ ~ ~
RK003: Liquid Murder
Original run in papers: 26/Jun/1946 - 04/Nov/ 1946
Story & Art: Alex Raymond


Pagan's Plight (67 MB)
The Official Rip Kirby #3
   (Size: 25.4 MB)


Sunday, February 14, 2016

ভয়ের মুখোশ - হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

কিশোর বয়সে যে কয়টি রহস্য কাহিনী মনে দাগ কেটে গিয়েছিলো সেই লিস্টের বেশ উপরের দিকেই থাকবে 'কবন্ধ বিগ্রহের কাহিনী' এবং 'ভয়ের মুখোশ'। দুটো কাহিনীরই লেখক ছিলেন শ্রদ্ধেয় হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়। টানটান অ্যাডভেঞ্চার আর ভৌতিক কাহিনী লেখার ব্যাপারে তিনি রীতিমত মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়েছিলেন। তখনকার দিনের (১৩৭৬ সাল) জনপ্রিয় মাসিক "শুকতারা" পত্রিকাতে ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হয়েছিলো "ভয়ের মুখোশ" উপন্যাসটি। কাহিনীর মূল চরিত্রে ছিলো দুই অদম্য সাহসী কিশোর, দীপক আর তপেন, ওরফে 'দিপু' আর 'তপু'। ক্লাস এইটে পড়া দুই দামাল কিশোরের অভিযান কাহিনীটি আমার জন্মের অনেক আগে প্রকাশিত হয়ে গিয়েছিলো। আমি অবশ্য এই কাহিনীটি অনেক পরে, লাইব্রেরি থেকে এনে প্রথম পড়েছিলাম। । 
প্রথম সংস্করণঃ আগস্ট, 1970
শুকতারাতে প্রকাশিত হবার বছরেই অর্থাৎ 1970 সালেই 'আনন্দ পাবলিশার্স' থেকে বই হিসাবে প্রকাশিত হয়েছিলো এই অসাধারণ উপন্যাসটি। যদিও শুকতারাতে প্রকাশিত হবার সময়ে ছবিগুলি এঁকেছিলেন নারায়ণ দেবনাথ মহাশয়, কিন্তু আনন্দ পাবলিশার্স থেকে বই হিসাবে প্রকাশের সময় প্রচ্ছদ সহ ছবি আঁকার ভার পড়ে শ্রদ্ধেয় পূর্ণেন্দু পত্রী মহাশয়ের উপর। 

বেশ কয়েকটি মজার ব্যাপার লুকিয়ে আছে এই কাহিনীটির পিছনে। প্রথমটি হলো শুকতারাতে প্রকাশিত হবার সময় কাহিনীটির নামের বানান ছিলো  'ভয়ের মুখোস' - অর্থাৎ দন্ত্য-'স' - কিন্তু বই হিসাবে যখন প্রকাশিত হয়েছিলো তখন সেই একই নামের বানান করা হয়েছিলো 'ভয়ের মুখোশ' - অর্থাৎ তালব্য-'!!  ব্যাপারটি ইচ্ছাকৃত, না কি প্রুফ রীডারের  চোখ এড়িয়ে গেছে তা বলা শক্ত, তবে 'মুখোস'-এর থেকে 'মুখোশ' বানানটাই আমার মনে হয় ব্যাকরণের দিক থেকে সঠিক। 
দ্বিতীয় মজার ব্যাপারটি হলো ১০৪ পাতার এই বড়ো কাহিনীটিতে কোনো পরিচ্ছেদ বা পর্বের উল্লেখ নেই - একদম সোজা, পাতার পর পাতা ধরে, ম্যারাথন দৌড়ের মতো ছুটে গিয়েছে কাহিনীর ধারা, যা খুব একটা চোখে পড়ে না। এটিও খুব সম্ভবত কোন এক অজানা কারণে লেখক এবং প্রুফ রীডারের চোখ এড়িয়ে গেছে। 

মাত্র ১২ টাকা মূল্যের এই বইটিকে কিনতে আমাকে একসময় বেশ বেগ পেতে হয়েছিলো, যা আজকের দিনে পিছু ফিরে ভাবলে বেশ হাসিই লাগে। 


ভয়ের মুখোশ
(SIZE: 31.2 MB)




Thursday, February 4, 2016

হারানো গ্রহের যন্ত্র মানব - শক্তিময় বিশ্বাস

সায়েন্স ফিকশন বা বৈজ্ঞানিক কাহিনী এবং কমিকস আমাদের দেশে এখনো পর্যন্ত খুব বেশী সংখ্যায় প্রকাশিত হয় না। সত্যি কথা বলতে গেলে বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীকে একটু খাটো চোখেই বরং দেখা হয়ে থাকে। 'শঙ্কু'-র অ্যাডভেঞ্চার কাহিনীগুলির সমাদর বা কাটতি 'ফেলুদা'র অ্যাডভেঞ্চারগুলির মতো কখনোই ছিলো না, হবেও না। কিন্তু তা স্বত্তেও বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীগুলি একবার পড়তে শুরু করে দিলে, খুব সহজে কিন্তু থামতে পারা যায় না, অন্তত আমার পক্ষে তো নয়ই ! 

সায়েন্স ফিকশন কাহিনীর বিষয়বস্তুগুলির মধ্যে অন্যতম পপুলার হলো 'টাইম ট্রাভেল', তারপরেই খুব সম্ভবত আসবে মানুষ ও যন্ত্রের মধ্যে ক্ষমতা দখলের চিরন্তন লড়াই - দুটি বিষয়ই আমার খুব পছন্দের। ছোটোবেলায় 'জনি সোকো অ্যান্ড হিস ফ্লায়িং রোবট' টিভি সিরিয়ালটি দেখার জন্যে সারা সপ্তাহ জুড়ে, লিট্যারালি হাঁ-করে বসে থাকতাম। গ্রহান্তরের মানুষেরা সুদূর অতীত আমাদের এই পৃথিবীতে আদৌ এসেছিলেন কি না, তা রীতিমত গবেষণা-তর্ক সাপেক্ষ বিষয়। একালের সুইস প্রত্নবিদ ডঃ এরিখ ফন দানিকেন নানান রকমের বেয়াড়া প্রশ্ন তুলে একসময় বেশ শোরগোল ফেলে দিয়েছিলেন। 

আমাদের দেশের অন্যতম জনপ্রিয় মহাকাব্য "রামায়ন"-এ কুম্ভকর্ণ ছিলেন একটি বিচিত্র চরিত্র। বাল্মীকি তাকে 'যন্ত্র' বলে অভিহিত করেছিলেন। অঙ্গদের জবানিতে বলেছিলেন 'এ রাক্ষসের যুদ্ধ করবার ক্ষমতা নেই, এ একটা ভীষণ বিভীষিকা মাত্র'। বিভীষণকে দিয়ে তিনি বলিয়েছিলেন 'যন্ত্রমেতৎ সুমুছ্রিতম' - কিন্তু কেন? কুম্ভকর্ণের ধরন-ধারণ লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে রাক্ষসের থেকে বরং রোবটের সাথেই তার অনেক বেশী মিল। চার্জ দেওয়া ব্যাটারিকে একটানা চালালে তার যেমন একটা নির্দিষ্ট আয়ু থেকে থাকে, কুম্ভকর্ণও ঠিক তেমনি ভাবে জেগে থাকতেন হাতেগুনে ঠিক একটানা ছয় মাস, আবার ঘুমাতে (না কি চার্জে ?) চলে যেতেন পরের ছয়মাস।


'রোমাঞ্চকর চিত্রকাহিনী'তে প্রকাশিত কল্পবিজ্ঞান কাহিনী
যন্ত্র ও মানুষের লড়াইয়ে সবসময়ই দেখানো হয়েছে যন্ত্ররাই ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে মানুষের উপর নির্মমভাবে চড়াও হয়েছে, কিন্তু সেই গল্পগুলির প্রায় সবকটিতেই আবার দেখা যায় আসল দোষটা কিন্তু ছিলো যন্ত্রের পিছনে লুকিয়ে থাকা কুচক্রী মানুষেরই।  

আজকের এই পোস্টে থাকলো যন্ত্র ও মানুষের লড়াই নিয়ে রচিত বহুপঠিত একটি কমিকস, শক্তিময় বিশ্বাসের "হারানো গ্রহের যন্ত্রমানব"। একরঙা এই কমিকসটি বার বার করে পড়েও যেন পুরানো হয় না। আজকালকার মহাবলী "গ্রাফিক্ নভেল" রচয়িতারা এরকম সাধারন বিষয় নিয়ে দারুণ দু-একটা কমিকস লেখার দুঃসাহস দেখান না কেন ?? 


হারানো গ্রহের 
যন্ত্র মানব
(Size: 12.7 MB)








Sunday, January 31, 2016

ঝিনুকের নৌকা - অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়


"আকাশে চুলের গন্ধটি দিয়ো পাতি,       
এনো সচকিত কাঁকনের রিনিরিন।  
আনিয়ো মধুর স্বপ্নসঘন রাতি,          
আনিয়ো গভীর আলস্যঘন দিন।   
তোমাতে আমাতে মিলিত নিবিড় একা ---  
স্থির আনন্দ, মৌনমাধুরী ধারা,           
মুগ্ধ প্রহর ভরিয়া তোমারে দেখা,            
তব করতল মোর করতলে হারা ।
(- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নিমন্ত্রণ)


  
প্রথম প্রেমের স্মৃতি কতকাল কুরে-কুরে খায় একজন মানুষকে ? সম্ভবত সারা জীবন। বিশেষত, সেই টান যদি গড়ে ওঠে বয়:সন্ধির বিপুল রোমাঞ্চময় এক প্রহরে, যখন শরীরে-মনে যুগপৎ ঘটে চলে পরিবর্তন, অনাস্বাদিত লজ্জা-শিহরণের গোপন ও রহস্যময় জগৎ একটু-একটু করে উন্মোচিত হতে থাকে চোখের সামনে - যেমন ঘটেছিলো ইন্দ্রনাথের জীবনে।
ফ্রক-পরা এক কিশোরী -- লাবণ্য যার নাম -- কিশোর ইন্দ্রের চোখে ফুটিয়ে তুলেছিলো প্রথম প্রেমের মায়াময় এক আবেশ। ফুটে উঠেছিলো লাবণ্য নিজেও - কিশোরী থেকে নারীতে। দাঙ্গা, দেশভাগ, সময়ের জটিল স্রোত দুজনকে ভাসিয়ে নিয়ে গেল একেবারে ভিন্ন দুই দিকে। তবু কি লাবন্যকে ভুলতে পেরেছে পরবর্তীকালের সফল সাংবাদিক ইন্দ্রনাথ ?

একটি ছোট্ট চিরকুটের সূত্র ধরে কীভাবে লাবণ্যের সঙ্গে নতুন করে দেখা হলো ইন্দ্রনাথের, কীভাবে চোখের সামনে ফিরে এলো প্রথম প্রণয়ের রোমাঞ্চমেদুর দিনগুলি-রাতগুলি, তাই নিয়েই এই উষ্ণ, নিপুণ, হৃদয়স্পর্শী উপন্যাস, 'ঝিনুকের নৌকা'।

প্রথম প্রকাশ: আনন্দ পাবলিশার্স, ডিসেম্বর(1990)
(প্রচ্ছদ: অমিয় ভট্টাচার্য)
প্রথম যৌবনে পড়া এই প্রেমের উপন্যাসটি আবার করে মধ্যযৌবনে এসে পড়লাম - এর মাঝে কেটে গেছে দীর্ঘ ২৬টি বছর - কিন্তু তবুও বিস্ময়ের সাথেই লক্ষ্য করলাম যে প্রথমবারের মতোই বেশ অভিভূত হয়ে পড়েছি, যদিও কাহিনীর শেষে কি ঘটতে চলেছে তা কিন্তু আগে থেকেই আমার জানা !!

কলেজ স্ট্রীটের 'নাথ ব্রাদার্স' থেকে যখন এই বইটি কিনেছিলাম তখন আমাদের একান্নবর্তী পরিবারের বাঁধন ছিলো অটুট। বাড়ীতে বয়স্ক অভিভাবকেরা সম্পূর্ণ নিজেরদের একটা লাইব্রেরী করার পরিকল্পনা নিয়েছিলেন। ঘরে ঘরে আলমারী ভর্তি, বাক্স-বোঝাই বইয়ের দল। নিজেদের নামাঙ্কিত রাবার-স্ট্যাম্পও চলে এসেছিলো বাড়ীতে। সুযোগ পেলেই আমরা তখন পুরানো-নতুন বই-পত্র, ম্যাগাজিন, পত্রিকা, যা-পাই সাধ্যের মধ্যে তাই কিনে এনে ছপ্পাছপ স্ট্যাম্প মেরে চলতাম। সে বহুদিন আগেকার কথা - কালের নিষ্ঠুর গ্রাসে সেই সব সযত্নে গুছিয়ে রাখা বইপত্রগুলি আজ হারিয়ে যাওয়া প্রিয়জনদের মতোই যে কোথায় হারিয়ে গেছে, তা কেউ জানে না। কিছু কিছু থেকে গেছে, এই যেমন একটি... 


Goti
ঝিনুকের নৌকা
(প্রথম অংশ)
(Size: 16 MB)

Goti
ঝিনুকের নৌকা
(শেষ অংশ)
(Size: 13 MB)





Wednesday, January 27, 2016

Mandrake Reloaded

The Thirties were a time of great adventure and creativity in the history of the newspaper strip. While the first official adventure strip was the 1930 adaptation of Tarzan, most of the strips which followed introduced new heroes, including Flash Gordon, Secret Agent X-9, Jungle Jim and Prince Valiant. All of these features had different writers behind them, but Mandrake and The Phantom, who appeared in 1934 and 1936 respectively, were the brainchild of one man, Lee Falk, who has remained the creative force behind those two features for more than fifty years.

Mandrake premiered on June 11, 1934, but the master magician does not appear in the first strip. Mandrake proved to be an immediate hit. Beginning life as a daily strip it added a Sunday page soon after in February, 1935.

In the early years of the strip, the art by Phil Davis is very much in the Alex Raymond tradition, particularly when you hit the mid to late Thirties when Raymond's style had become accepted as the definitive art in newspaper strips. Even Hal Foster, who had carved out his own chapter in the history of comics with his work on Tarzan and Prince Valiant, very much admired the work of Raymond. The slick, Raymond approach with its smooth, feathery inking technique is particularly evident in Mandrake from 1936 on. Davis admitted to borrowing from Raymond's work and was once surprised to notice a Raymond panel swiped from Mandrake that Davis had originally swiped from Raymond !! 
Phil Davis remained the artist on the feature until his death on December 16, 1964. Davis was then replaced by Fred Fredericks.

Like many other comic strip heroes, Mandrake has had his shot at the Hollywood big time. With Mandrake an unqualified success, Lee Falk turned his hand to creating another newspaper strip hero. A year and half later The Phantom debuted on February 17,1936.

~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ ~ 

We have so many questions got bubbled up in our mind since our golden childhood time - how Lee Falk created the characters, how did he come up with their names, how these characters got changed over time and so on.... Well, now here we have some definitive answers and clarifications to those questions, at least some of them ! 

The excerpts below have been taken from a long interview with Lee Falk, originally published in "King Comic Heroes" magazine by James Van Hise (A Pioneer Books special issue). 

 1. Origin of the name, 'Mandrake'










 2. Origin of the name, 'Narda'




 3. Origin of the name, 'Lothar'


 4. The Look of 'Mandrake'


 5. Influence of other Magicians





6. How 'Mandrake' was changed over time?



 7. How 'Lothar' was changed over time?











 8. 'Mandrake' vs 'Phantom'










Read here one of the vintage Mandrake adventures (incomplete !)... 

 
Mandrake Reloaded
 (Size: 7.8 MB)

Saturday, January 23, 2016

বগলা মামা - মধ্যমণি

"পথে নিম গাছ ,               
  নীচের পুকুরে                  
সবুজ জলের নীচে             
সাদা পুঁটি মাছ - 
ঘুরে ঘুরে                        
জলে ঝরে পড়ে সাদা ফুল.....
...বহুদিন চিঠি নেই, পত্র নেই
প্রানের অতুল....."              
(তারাপদ রায়)  


ছোট থেকে ধীরে ধীরে বড়ো হয়ে যাবার সময় আমাদের শরীর-মন, পছন্দ-অপছন্দের সাথে সাথে ভালো ও মন্দের ডেফিনিশানটাও বদলে যেতে থাকে - আরও সত্যি করে বলতে গেলে 'ঘুলিয়ে' যেতে থাকে। একসময় যেগুলোকে খারাপ, বিরক্তিকর বলে মনে হতো, সেগুলোকেই এখন ভাবলে মনে হয় কি দারুণই না ছিলো !!  বাবার মুখে শুনতাম যুদ্ধের বাজারে ব্ল্যাক আউটের কড়া নিষেধাজ্ঞা ছিলো। সূর্যাস্তের পর বাড়িতে আলো জ্বালানোর হুকুম ছিলো না - মিলিটারিরা অন্ধকার রাস্তায় টহল দিয়ে বেড়াতো - ধরা পড়লেই আর রক্ষা থাকতো না। শুনে সেই সময় ভয়ে মুখ শুকিয়ে গেলেও, এখন মনে হয় ব্যাপারটার মধ্যে একটা অন্য রকমের থ্রীলও লুকিয়ে ছিলো। 'জীবনের সেরা সময়টা' কি সেটা জানতে চাইলে এখন মনে হয়, যে সময়গুলোতে আমার কঠিন সব অসুখ হতো, সেগুলোই ছিলো জীবনের পরম সুখের সময়। ঘুম থেকে ওঠা মাত্রই পিসিমা এক কাঁচের গ্লাস করে মৌরী-মিছরি ভেজানো জল এনে মুখের সামনে ধরতেন, জ্বর মুখে দুর্বল শরীরে খেতে তা যে কি ভালো লাগতো তা বলে বোঝানো অসম্ভব! অভাবের সংসারেও বাবা বাজার থেকে সকালবেলায় চারটে নরম সন্দেশওয়ালা একটা ছোট্ট মিষ্টির বাক্স এনে মায়ের হাতে তুলে দিতেন। দিনের বেলায় মশারি টাঙিয়ে নিজের পছন্দমতো এক গাদা গল্পের বই নিয়ে সারাটা দিন শুয়ে, আধশুয়ে পড়ে চলতাম - কেউ কিচ্ছুটিও বলতো না! সেই সব সোনার দিন আর নেই - বাবা আর পিসিমাও বহুদিন হলো পরপারে চলে গিয়েছেন। এখন যদি কেউ মন্ত্রবলে সেই সময়কার দিনগুলোতে আমাকে ফেলে দিয়ে আসে তা'হলে যে একচুলও মন খারাপ হবে না, সে'কথা আমি কিন্তু দিব্যি দিয়ে বলতে পারি।


যাই হোক মন খারাপের কথা ভুলে থাকার জন্যে এবারের সপ্তাহের পোস্টে রইলো বগলামামার আরেকখানি হাসির অ্যাডভেঞ্চার, "মধ্যমণি"। এই গল্পের পটভূমিকাও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার। আকারে এই গল্পটি বগলামামার অন্যান্য গল্পদের থেকে একটু ছোটো। দারুণ দমফাটা হাসির গল্প না'হলেও এটি কিন্তু যথেষ্টই মজাদার - অন্তত: বর্তমান কালের কাতুকুতু দিয়ে জোর করে হাসানো গল্পদের তুলনায় এটি ঢের, ঢের বেশী মজাদার। গল্পটির ছবিগুলি এঁকেছিলেন প্রয়াত শৈল্য চক্রবর্তী মহাশয়। 

~ ~ ~ ~ ~ 

আজ থেকে প্রায় ৪৮ বছর আগে, ১৩৭৪ সালের (1968) পুজোর সময় দেব সাহিত্য কুটীর থেকে প্রকাশিত হয়েছিলো "বেণুবীণা" পূজাবার্ষিকীটি। অন্যান্য বছরের পূজাবার্ষিকীদের তুলনায় এই বইটির কভার-পেজ হিসাবে ছিলো দুটি চোখ জুড়ানো প্রচ্ছদ। এখনকার দিনের যেকোনও পূজাবার্ষিকীকে এর পাশে রাখলে হতাশায় হাসি আসতে বাধ্য!  অসাধারন কিছু অলঙ্করণ, সাধারন একগুচ্ছ বিভিন্ন স্বাদের গল্প এবং দুইটি চিত্রকাহিনীতে জমজমাট ছিলো এই পূজাবার্ষিকীটি। 

দেব সাহিত্য কুটীরের 'বেণুবীণা' পূজাবার্ষিকী (১৩৭৪)
বইটির আদি সংস্করণটি পোকার কামড়ে কিছুটা বিধ্বস্ত, তাই নতুন করে বইটির রি-প্রিন্ট ভার্সন কিনতে হয়েছে। দুটি বইয়ের দামের মধ্যে তেমন কিছু ফারাক না-থাকলেও পাতার কোয়ালিটি, ছবির রং ও গুণগত মানের আকাশ-পাতাল তারতম্য রয়ে গেছে। কোয়ালিটি আর কোয়ান্টিটির মধ্যেকার স্থূল তফাৎটা আমাদের দেশের প্রকাশকেরা আজও অবধি বুঝে উঠতে পারলেন না !! 


বগলামামার গল্পের সাথে ফাউ হিসাবে রইলো আরও দুটি গল্প। প্রথমটি  হলো শিবরাম চক্রবর্তীর লেখা হাসির গল্প, "রাম ডাক্তারের ব্যায়রাম !" 

গল্পটি পড়লেই ঝট করে মনে চলে আসে 'ধন্যি মেয়ে (1971)' ছায়াছবির সেই ক্ষণজন্মা ডাক্তার পাকড়াশীর কথা, যিনি কালীবাবুর (ওরফে উত্তমকুমার) স্ত্রীর চিকিৎসা করতে এসে হাতুড়ি, স্ক্রু-ড্রাইভার, শাবল, করাত ইত্যাদির খোঁজ করতে শুরু করে দিয়েছিলেন।
ধন্যি মেয়ে ছায়াছবিতে কালীবাবু ও ডাক্তার পাকড়াশী  
'ধন্যি মেয়ে' ছায়াছবির রিলিজ হওয়ার বেশ কয়েকবছর আগেই 'বেণুবীণা' পূজাবার্ষিকীটি প্রকাশিত হয়েছিলো। তাই শিবরাম চক্রবর্তীর এই গল্পটিই যে ওই ছায়াছবির ডাক্তার পাকড়াশীকে প্রভাবিত করেছিলো, সে আশঙ্কা নেহাৎ অমুলক নয়।


আর দ্বিতীয় গল্পটি হলো শ্রদ্ধেয় হরিনারায়ান চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি গা ছমছম করা ভূতের গল্প"পাঁচ মুন্ডীর আসর"। গল্পের বিষয়বস্তু বা পটভূমিকার মধ্যে আহামরি কিছু নেই, কিন্তু রচনা শৈলীর কল্যাণেই পড়তে ভীষণ ভালো লাগে। শৈশবে পড়া সেই গল্প এই মধ্য যৌবনে এসে, আবার করে পড়ে ঠিক আগের মতোই শিহরিত হয়ে উঠলাম।

আশা করি এই তিনটি গল্পই সবার খুব ভালো লাগবে। ভালো-মন্দ বেশ কিছু কমেন্টস পেলে হয়তো বগলামামার বাকি কয়টি কাহিনীও ধরা দেবে এই ব্লগে।


মধ্যমণি ও অন্যান্য  
(Size: 14.1 MB)







Friday, January 15, 2016

বগলামামা যুগ যুগ জিয়ো!

"দশটা সাগর বারোটা দেশ       
 পার হয়েছি হাওয়াই যানে 
পরবাসী তবু জানে,        
     দেশ পেরোনো ঠিক যায় না ..."  
(অমিয় চক্রবর্তী )  



ছোটবেলায় রবিবারের দিনগুলি শুরু হতো বেজায় আনন্দের সাথে। তার একটা কারণ ছিলো রবিবারে একটু দেরী করে ঘুম থেকে উঠলে, বা একটু দেরী করে পড়তে বসলেও বাড়ি থেকে বিশেষ কেউ আপত্তি করতো না। তার সাথে যদি বাবার সাথে বাজারে যেতে হতো, তা'হলে তো সোনায় সোহাগা - পুরো সকালবেলার পড়াটাই আইনসম্মত ভাবে ডিসমিস হয়ে যেতো! দুপুরের খাওয়া-দাওয়ার পাট চুকে গেলে আমরা বসে পড়তাম এক একটা গল্পের বই হাতে করে। তবে আলমারী থেকে দেব সাহিত্য কুটীরের মোটা মোটা পূজাবার্ষিকী বার করার স্বাধীনতা ছিলো না। তার জন্যে আমাদের অপেক্ষা করে থাকতো হতো ডিসেম্বরে অ্যানুয়াল পরীক্ষা শেষ হওয়া অবধি। মহালয়ার সময় পূজাবার্ষিকী বার হলেও প্রতিবছর নিয়ম করে কেনা ঠিক সম্ভব হয়ে উঠতো না - তাই পুরানো পূজাবার্ষিকীগুলোই ছিলো আমাদের 'সবেধন নীলমণি'। এখন পিছু ফিরে ভাবলে দারুণ অবাক লাগে যে কি সামান্য, ছোটো ছোটো আশা ও চাহিদা নিয়ে সেই সেদিনের আমরা বড়ো হয়ে উঠেছিলাম।    



একসময় আমাদের সংগ্রহে দেব সাহিত্য কুটীর থেকে প্রকাশিত পূজাবার্ষিকীগুলির প্রায় সবকটিই ছিলো, অন্তত: প্রধান বইগুলি তো বটেই। সেই বইগুলির বেশ কিছু বই উইপোকা খেয়ে নষ্ট করে ফেললেও এখনো প্রায় খান-তিরিশেক বই বেঁচে আছে। কিছু কিছু বই অন্যেরা নিজের মনে করে নিয়ে গিয়ে আর ফেরৎ দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেনি। 
দেব সাহিত্য কুটীর থেকে আমার সংগৃহীত বইদের একাংশের ছবি...
'চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে' কথাটা সর্বযুগে, সর্বসময়ে সত্যি। তাই নতুন বইয়ের সাথে পুরনো বইগুলিও আপাতত: যত্ন করে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করে রেখে এসেছি। 

~ ~ ~ ~ ~ 
এই সপ্তাহের পোস্টে রইলো রাজকুমার মৈত্রের লেখা 'বগলামামা'- আরেকটি দারুণ হাসির গল্প: 'বগলামামা যুগ যুগ জিয়ো!'। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পটভূমিকায় লেখা এই গল্পটি বগলামামার অন্যান্য গল্পের তুলনায় আকারে একটু বড়ো - প্রায় ৪৪ পাতার। গল্পটির মধ্যে পাতা-জোড়া একটি রঙিন ছবিও ছিলো, কিন্তু কোন এক অজ্ঞাত কারণে সেই পাতাটি হারিয়ে গেছে। সারা জীবনে আমার একবারই মাত্র নাটকে অংশগ্রহণ করার সুযোগ এসেছিলো। স্টেজে উঠে, একগাদা দর্শকদের সামনে দাঁড়িয়ে সামান্য কিছু একটা করার মধ্যেও যে কি বিশাল পরিমাণে ভয়-টেনশান, লজ্জা-আতঙ্ক, এবং আগ্রহ লুকিয়ে থাকে তা সহজেই বুঝতে পারি।  আর তাই এই গল্পটিকে আমার কখনোই এক বানানো গল্প বলে মনে হয় না।
বগলামামা যুগ যুগ জিয়ো! ('মন্দিরা' পূজাবার্ষিকী)

আজ থেকে প্রায় ৩৮ বছর আগে, ১৩৮৪ সালের (1978) পুজোর সময় দেব সাহিত্য কুটীর থেকে প্রকাশিত হয়েছিলো "মন্দিরা" পূজাবার্ষিকীটি। অন্যান্য বছরের পূজাবার্ষিকীদের তুলনায় এই বইটির কভার-পেজ হিসাবে ছিলো দুটি চোখ জুড়ানো প্রচ্ছদ। এখনকার দিনের যেকোনও পূজাবার্ষিকীকে এর পাশে রাখলে হতাশায় হাসি আসতে বাধ্য!  অসাধারন কিছু অলঙ্করণ, সাধারন একগুচ্ছ বিভিন্ন স্বাদের গল্প এবং তিন-তিনটি চিত্রকাহিনীতে জমজমাট ছিলো এই পূজাবার্ষিকীটি। বইটির সূচীপত্রের প্রথম দিকের কয়েকটি পাতা হারিয়ে গেছে, কিছু পাতায় পোকার আক্রমণ সবে শুরু হয়েছিলো, তাই স্ক্যান করার পর বেশ কিছুটা সময় গিয়েছে একে পড়ার উপযোগী করে তুলতে। 
দেব সাহিত্য কুটীরের 'মন্দিরা' পূজাবার্ষিকী (১৩৮৪)


বগলামামার গল্পের সাথে ফাউ হিসাবে রইলো শ্রদ্ধেয় মধুসূদন মজুমদারের লেখা একটি ছোট্ট অলৌকিক গল্প: "আশ্চর্য মূর্তি" প্রাচীন সর্পদেবীর মূর্তির অদ্ভুত ক্ষমতাকে তাচ্ছিল্য করার ফল যে কি মারাত্মক হতে পারে তা নিয়েই রচিত এই গল্পটি। ছোটগল্প হলেও গল্পটির ঘটনাবলীর মধ্যে থাকা অদ্ভুত গতির তারিফ না-করে থাকা যায় না। এই গল্পটির ছবিগুলি এঁকেছিলেন নারায়ণ দেবনাথ মহাশয় - ছবির সৌন্দর্যের কল্যাণেই গল্পটি পড়ার ইচ্ছা জেগে ওঠে।
মধুসূদন মজুমদার রচিত ছোট গল্প

আশা করি দুটি গল্পই সবার খুব ভালো লাগবে। ভালো-মন্দ বেশ কিছু কমেন্টস পেলে হয়তো বগলামামার বাকি কাহিনীগুলিও ধীরে ধীরে ধরা দেবে এই ব্লগে।


বগলামামা যুগ যুগ জিয়ো! 
এবং আশ্চর্য মূর্তি 
(Size: 24.2 MB)