ভূতের গল্প পড়ার মোক্ষম সময় ছিলো বর্ষার রাতগুলো - বাইরের ঘরের লম্বা
বিছানায় হ্যারিকেনের মৃদু আলোকে ঘিরে, ভাই-বোনে সবাই মিলে শুয়ে-বসে ভূতের গল্পের বই পড়ার মজাই ছিলো আলাদা। বাইরে অঝোর গতিতে ঝরে চলতো ঝমঝম করে একটানা বৃষ্টি,
চারিদিকে একটু স্যাঁতসেতে আবহাওয়া - এমন রাতে ভূতের ভয় আসতে বাধ্য !! আধো-আলো, আধো-অন্ধকার ঘরেতে বসে, তেলে মাখা মুড়ি-চানাচুরের সাথে গরম চায়ে চুমুক দিতে দিতে পড়া প্রেত-অশরীরীদের কাণ্ডকারখানা নির্ভেজাল ভয়ের সাথে সাথে যে আনন্দটুকু দেয়, তা বোধহয় লাখ টাকাতেও কেনা যাবেনা।
স্বর্গত: প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের লেখা একটি ভৌতিক কাহিনী একসময় আমার পড়তে বেশ ভয় ভয় লাগতো। খুবই সুন্দর ও বিশ্বাসযোগ্য হিসাবে তিনি গল্পটি উপস্থাপনা করেছিলেন। সে'সময় মাঝরাতে কখনো ঘুম ভেঙে ভূতের ভয় পেলে, বিছানায় শুয়ে শুয়েই চোখ বুজে বহুবার 'তারকব্রহ্ম' নাম জপ করতে থাকতাম। আজ, বহুদিন বাদে সেই গল্পটি আবারও একবার পড়লাম - এবং পড়ে প্রায় আগের মতোই ভয়ে শিহরিত হয়ে উঠলাম। এই পোস্টে সেটা তুলে ধরা হলো।

স্বর্গত: প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের লেখা একটি ভৌতিক কাহিনী একসময় আমার পড়তে বেশ ভয় ভয় লাগতো। খুবই সুন্দর ও বিশ্বাসযোগ্য হিসাবে তিনি গল্পটি উপস্থাপনা করেছিলেন। সে'সময় মাঝরাতে কখনো ঘুম ভেঙে ভূতের ভয় পেলে, বিছানায় শুয়ে শুয়েই চোখ বুজে বহুবার 'তারকব্রহ্ম' নাম জপ করতে থাকতাম। আজ, বহুদিন বাদে সেই গল্পটি আবারও একবার পড়লাম - এবং পড়ে প্রায় আগের মতোই ভয়ে শিহরিত হয়ে উঠলাম। এই পোস্টে সেটা তুলে ধরা হলো।
