Showing posts with label রাজকুমার মৈত্র. Show all posts
Showing posts with label রাজকুমার মৈত্র. Show all posts

Sunday, July 24, 2022

বগলামামা - ধুম ধাড়াক্কা

"নদী থেকে উঠে আসে পথ,
নাকি পথ নেমে যায় নদীর ভিতরে ?
    
...তবুও কেন যে মনে মনে  
থেকে যায় কাঁচা রাস্তা, ভাঙ্গা পাড়      
অমল কাদায়        
পথ ও নদীর মধ্যে পড়ে থাকে  
পাখির পালক"
              
( ~ তারাপদ রায় )  


ফিরে আসার মতো ভালো আর কিছু নেই। হারিয়ে যাওয়া সময়, হারিয়ে যাওয়া পরিবেশ, হারিয়ে যাওয়া বন্ধু-প্রেমিকা-স্বজনদের মতোই হারিয়ে যাওয়া গল্প ফিরে পাবার মতো অনাবিল আনন্দ আর মজা আর কিই বা হতে পারে !!

বগলামামা সমগ্র
বগলামামা সমগ্র (দেব সাহিত্য কুটীর -- মূল্য: ৩৭৫ /-)


চীনের দান, করোনা আর লকডাউনের চক্করে পড়ে বেশ কিছুকাল দেশে যাওয়া হয়ে ওঠেনি। কিছুটা ঝোঁকের মাথায়, আর কিছু দরকারী কাজ সারতে গিয়েছিলাম দেশে, এই ২০২২-এর গ্রীষ্মকালে। অনেকেই বলেছিলো আহাম্মুকের মতো ডিসিশন নেওয়া !! মাঝে মাঝে যে সে-কথা মনে আসেনি, তা বললে মিথ্যাচারণ করা হবে। কিন্তু এক বন্ধুর মুখে যখন জানতে পারলাম যে রথযাত্রার সময় দেব সাহিত্য কুটীর থেকে বগলামামা সমগ্র প্রকাশিত হয়েছে, তা শুনে যে কি আনন্দ হয়েছিলো, তা লিখে প্রকাশ করা সম্ভব নয়। 
ফিরে আসা যায় - ফিরে তো আসাই যায় - অন্তত: বগলামামার জন্যে তো ফিরে আসাই যায় - একশো বার যায়, হাজার বার যায় !!  

ধুম ধাড়াক্কা

"বগলামামার কান্ডকারখানা" বইটির প্রচ্ছদ মোটেও ভালো লাগেনি - ভেবেছিলাম আমাদের অতিপ্রিয় নারায়নবাবুর আঁকা অজস্র কোনও ছবি থেকে একটা দারুণ প্রচ্ছদ দেব সাহিত্য কুটীর আমাদের উপহার দেবে। কিন্তু এ কি !!!!!  এক বেমানান, রসকষহীন প্রচ্ছদ ছুঁড়ে দিয়েছে দেব সাহিত্য কুটীর। বোধহয় অনান্য সবকিছু মতোই প্রকাশকের বুদ্ধি-বিবেচনার মানও আজ তলানির দিকে যেতে বসেছে। বইটির দাম ৩৭৫/- টাকা, কিন্তু পাতার কোয়ালিটি মোটেও ভালো নয়। যাই হোক, কি আর করা -- নাই-মামার থেকে কানা-মামা ভালো বলে একটা প্রবাদ আছে !! 

এই বইটি থেকে বগলামামার আরও একটি মজাদার কাহিনী, যা আমার আগে পড়া ছিলো না, "ধুম ধাড়াক্কা" এখানে দেওয়া হলো। কোন পূজাবার্ষিকীতে যে মূল গল্পটি প্রকাশিত হয়েছিলো তা আমার এই মুহূর্তে মনে পড়ছে না --- কেউ যদি সন্ধান দিতে পারেন তো কৃতজ্ঞ থাকবো। 



ধুম ধাড়াক্কা  
(Size: 3 MB)







Saturday, January 23, 2016

বগলা মামা - মধ্যমণি

"পথে নিম গাছ ,               
  নীচের পুকুরে                  
সবুজ জলের নীচে             
সাদা পুঁটি মাছ - 
ঘুরে ঘুরে                        
জলে ঝরে পড়ে সাদা ফুল.....
...বহুদিন চিঠি নেই, পত্র নেই
প্রানের অতুল....."              
(তারাপদ রায়)  


ছোট থেকে ধীরে ধীরে বড়ো হয়ে যাবার সময় আমাদের শরীর-মন, পছন্দ-অপছন্দের সাথে সাথে ভালো ও মন্দের ডেফিনিশানটাও বদলে যেতে থাকে - আরও সত্যি করে বলতে গেলে 'ঘুলিয়ে' যেতে থাকে। একসময় যেগুলোকে খারাপ, বিরক্তিকর বলে মনে হতো, সেগুলোকেই এখন ভাবলে মনে হয় কি দারুণই না ছিলো !!  বাবার মুখে শুনতাম যুদ্ধের বাজারে ব্ল্যাক আউটের কড়া নিষেধাজ্ঞা ছিলো। সূর্যাস্তের পর বাড়িতে আলো জ্বালানোর হুকুম ছিলো না - মিলিটারিরা অন্ধকার রাস্তায় টহল দিয়ে বেড়াতো - ধরা পড়লেই আর রক্ষা থাকতো না। শুনে সেই সময় ভয়ে মুখ শুকিয়ে গেলেও, এখন মনে হয় ব্যাপারটার মধ্যে একটা অন্য রকমের থ্রীলও লুকিয়ে ছিলো। 'জীবনের সেরা সময়টা' কি সেটা জানতে চাইলে এখন মনে হয়, যে সময়গুলোতে আমার কঠিন সব অসুখ হতো, সেগুলোই ছিলো জীবনের পরম সুখের সময়। ঘুম থেকে ওঠা মাত্রই পিসিমা এক কাঁচের গ্লাস করে মৌরী-মিছরি ভেজানো জল এনে মুখের সামনে ধরতেন, জ্বর মুখে দুর্বল শরীরে খেতে তা যে কি ভালো লাগতো তা বলে বোঝানো অসম্ভব! অভাবের সংসারেও বাবা বাজার থেকে সকালবেলায় চারটে নরম সন্দেশওয়ালা একটা ছোট্ট মিষ্টির বাক্স এনে মায়ের হাতে তুলে দিতেন। দিনের বেলায় মশারি টাঙিয়ে নিজের পছন্দমতো এক গাদা গল্পের বই নিয়ে সারাটা দিন শুয়ে, আধশুয়ে পড়ে চলতাম - কেউ কিচ্ছুটিও বলতো না! সেই সব সোনার দিন আর নেই - বাবা আর পিসিমাও বহুদিন হলো পরপারে চলে গিয়েছেন। এখন যদি কেউ মন্ত্রবলে সেই সময়কার দিনগুলোতে আমাকে ফেলে দিয়ে আসে তা'হলে যে একচুলও মন খারাপ হবে না, সে'কথা আমি কিন্তু দিব্যি দিয়ে বলতে পারি।


যাই হোক মন খারাপের কথা ভুলে থাকার জন্যে এবারের সপ্তাহের পোস্টে রইলো বগলামামার আরেকখানি হাসির অ্যাডভেঞ্চার, "মধ্যমণি"। এই গল্পের পটভূমিকাও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার। আকারে এই গল্পটি বগলামামার অন্যান্য গল্পদের থেকে একটু ছোটো। দারুণ দমফাটা হাসির গল্প না'হলেও এটি কিন্তু যথেষ্টই মজাদার - অন্তত: বর্তমান কালের কাতুকুতু দিয়ে জোর করে হাসানো গল্পদের তুলনায় এটি ঢের, ঢের বেশী মজাদার। গল্পটির ছবিগুলি এঁকেছিলেন প্রয়াত শৈল্য চক্রবর্তী মহাশয়। 

~ ~ ~ ~ ~ 

আজ থেকে প্রায় ৪৮ বছর আগে, ১৩৭৪ সালের (1968) পুজোর সময় দেব সাহিত্য কুটীর থেকে প্রকাশিত হয়েছিলো "বেণুবীণা" পূজাবার্ষিকীটি। অন্যান্য বছরের পূজাবার্ষিকীদের তুলনায় এই বইটির কভার-পেজ হিসাবে ছিলো দুটি চোখ জুড়ানো প্রচ্ছদ। এখনকার দিনের যেকোনও পূজাবার্ষিকীকে এর পাশে রাখলে হতাশায় হাসি আসতে বাধ্য!  অসাধারন কিছু অলঙ্করণ, সাধারন একগুচ্ছ বিভিন্ন স্বাদের গল্প এবং দুইটি চিত্রকাহিনীতে জমজমাট ছিলো এই পূজাবার্ষিকীটি। 

দেব সাহিত্য কুটীরের 'বেণুবীণা' পূজাবার্ষিকী (১৩৭৪)
বইটির আদি সংস্করণটি পোকার কামড়ে কিছুটা বিধ্বস্ত, তাই নতুন করে বইটির রি-প্রিন্ট ভার্সন কিনতে হয়েছে। দুটি বইয়ের দামের মধ্যে তেমন কিছু ফারাক না-থাকলেও পাতার কোয়ালিটি, ছবির রং ও গুণগত মানের আকাশ-পাতাল তারতম্য রয়ে গেছে। কোয়ালিটি আর কোয়ান্টিটির মধ্যেকার স্থূল তফাৎটা আমাদের দেশের প্রকাশকেরা আজও অবধি বুঝে উঠতে পারলেন না !! 


বগলামামার গল্পের সাথে ফাউ হিসাবে রইলো আরও দুটি গল্প। প্রথমটি  হলো শিবরাম চক্রবর্তীর লেখা হাসির গল্প, "রাম ডাক্তারের ব্যায়রাম !" 

গল্পটি পড়লেই ঝট করে মনে চলে আসে 'ধন্যি মেয়ে (1971)' ছায়াছবির সেই ক্ষণজন্মা ডাক্তার পাকড়াশীর কথা, যিনি কালীবাবুর (ওরফে উত্তমকুমার) স্ত্রীর চিকিৎসা করতে এসে হাতুড়ি, স্ক্রু-ড্রাইভার, শাবল, করাত ইত্যাদির খোঁজ করতে শুরু করে দিয়েছিলেন।
ধন্যি মেয়ে ছায়াছবিতে কালীবাবু ও ডাক্তার পাকড়াশী  
'ধন্যি মেয়ে' ছায়াছবির রিলিজ হওয়ার বেশ কয়েকবছর আগেই 'বেণুবীণা' পূজাবার্ষিকীটি প্রকাশিত হয়েছিলো। তাই শিবরাম চক্রবর্তীর এই গল্পটিই যে ওই ছায়াছবির ডাক্তার পাকড়াশীকে প্রভাবিত করেছিলো, সে আশঙ্কা নেহাৎ অমুলক নয়।


আর দ্বিতীয় গল্পটি হলো শ্রদ্ধেয় হরিনারায়ান চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি গা ছমছম করা ভূতের গল্প"পাঁচ মুন্ডীর আসর"। গল্পের বিষয়বস্তু বা পটভূমিকার মধ্যে আহামরি কিছু নেই, কিন্তু রচনা শৈলীর কল্যাণেই পড়তে ভীষণ ভালো লাগে। শৈশবে পড়া সেই গল্প এই মধ্য যৌবনে এসে, আবার করে পড়ে ঠিক আগের মতোই শিহরিত হয়ে উঠলাম।

আশা করি এই তিনটি গল্পই সবার খুব ভালো লাগবে। ভালো-মন্দ বেশ কিছু কমেন্টস পেলে হয়তো বগলামামার বাকি কয়টি কাহিনীও ধরা দেবে এই ব্লগে।


মধ্যমণি ও অন্যান্য  
(Size: 14.1 MB)







Friday, January 15, 2016

বগলামামা যুগ যুগ জিয়ো!

"দশটা সাগর বারোটা দেশ       
 পার হয়েছি হাওয়াই যানে 
পরবাসী তবু জানে,        
     দেশ পেরোনো ঠিক যায় না ..."  
(অমিয় চক্রবর্তী )  



ছোটবেলায় রবিবারের দিনগুলি শুরু হতো বেজায় আনন্দের সাথে। তার একটা কারণ ছিলো রবিবারে একটু দেরী করে ঘুম থেকে উঠলে, বা একটু দেরী করে পড়তে বসলেও বাড়ি থেকে বিশেষ কেউ আপত্তি করতো না। তার সাথে যদি বাবার সাথে বাজারে যেতে হতো, তা'হলে তো সোনায় সোহাগা - পুরো সকালবেলার পড়াটাই আইনসম্মত ভাবে ডিসমিস হয়ে যেতো! দুপুরের খাওয়া-দাওয়ার পাট চুকে গেলে আমরা বসে পড়তাম এক একটা গল্পের বই হাতে করে। তবে আলমারী থেকে দেব সাহিত্য কুটীরের মোটা মোটা পূজাবার্ষিকী বার করার স্বাধীনতা ছিলো না। তার জন্যে আমাদের অপেক্ষা করে থাকতো হতো ডিসেম্বরে অ্যানুয়াল পরীক্ষা শেষ হওয়া অবধি। মহালয়ার সময় পূজাবার্ষিকী বার হলেও প্রতিবছর নিয়ম করে কেনা ঠিক সম্ভব হয়ে উঠতো না - তাই পুরানো পূজাবার্ষিকীগুলোই ছিলো আমাদের 'সবেধন নীলমণি'। এখন পিছু ফিরে ভাবলে দারুণ অবাক লাগে যে কি সামান্য, ছোটো ছোটো আশা ও চাহিদা নিয়ে সেই সেদিনের আমরা বড়ো হয়ে উঠেছিলাম।    



একসময় আমাদের সংগ্রহে দেব সাহিত্য কুটীর থেকে প্রকাশিত পূজাবার্ষিকীগুলির প্রায় সবকটিই ছিলো, অন্তত: প্রধান বইগুলি তো বটেই। সেই বইগুলির বেশ কিছু বই উইপোকা খেয়ে নষ্ট করে ফেললেও এখনো প্রায় খান-তিরিশেক বই বেঁচে আছে। কিছু কিছু বই অন্যেরা নিজের মনে করে নিয়ে গিয়ে আর ফেরৎ দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেনি। 
দেব সাহিত্য কুটীর থেকে আমার সংগৃহীত বইদের একাংশের ছবি...
'চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে' কথাটা সর্বযুগে, সর্বসময়ে সত্যি। তাই নতুন বইয়ের সাথে পুরনো বইগুলিও আপাতত: যত্ন করে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করে রেখে এসেছি। 

~ ~ ~ ~ ~ 
এই সপ্তাহের পোস্টে রইলো রাজকুমার মৈত্রের লেখা 'বগলামামা'- আরেকটি দারুণ হাসির গল্প: 'বগলামামা যুগ যুগ জিয়ো!'। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পটভূমিকায় লেখা এই গল্পটি বগলামামার অন্যান্য গল্পের তুলনায় আকারে একটু বড়ো - প্রায় ৪৪ পাতার। গল্পটির মধ্যে পাতা-জোড়া একটি রঙিন ছবিও ছিলো, কিন্তু কোন এক অজ্ঞাত কারণে সেই পাতাটি হারিয়ে গেছে। সারা জীবনে আমার একবারই মাত্র নাটকে অংশগ্রহণ করার সুযোগ এসেছিলো। স্টেজে উঠে, একগাদা দর্শকদের সামনে দাঁড়িয়ে সামান্য কিছু একটা করার মধ্যেও যে কি বিশাল পরিমাণে ভয়-টেনশান, লজ্জা-আতঙ্ক, এবং আগ্রহ লুকিয়ে থাকে তা সহজেই বুঝতে পারি।  আর তাই এই গল্পটিকে আমার কখনোই এক বানানো গল্প বলে মনে হয় না।
বগলামামা যুগ যুগ জিয়ো! ('মন্দিরা' পূজাবার্ষিকী)

আজ থেকে প্রায় ৩৮ বছর আগে, ১৩৮৪ সালের (1978) পুজোর সময় দেব সাহিত্য কুটীর থেকে প্রকাশিত হয়েছিলো "মন্দিরা" পূজাবার্ষিকীটি। অন্যান্য বছরের পূজাবার্ষিকীদের তুলনায় এই বইটির কভার-পেজ হিসাবে ছিলো দুটি চোখ জুড়ানো প্রচ্ছদ। এখনকার দিনের যেকোনও পূজাবার্ষিকীকে এর পাশে রাখলে হতাশায় হাসি আসতে বাধ্য!  অসাধারন কিছু অলঙ্করণ, সাধারন একগুচ্ছ বিভিন্ন স্বাদের গল্প এবং তিন-তিনটি চিত্রকাহিনীতে জমজমাট ছিলো এই পূজাবার্ষিকীটি। বইটির সূচীপত্রের প্রথম দিকের কয়েকটি পাতা হারিয়ে গেছে, কিছু পাতায় পোকার আক্রমণ সবে শুরু হয়েছিলো, তাই স্ক্যান করার পর বেশ কিছুটা সময় গিয়েছে একে পড়ার উপযোগী করে তুলতে। 
দেব সাহিত্য কুটীরের 'মন্দিরা' পূজাবার্ষিকী (১৩৮৪)


বগলামামার গল্পের সাথে ফাউ হিসাবে রইলো শ্রদ্ধেয় মধুসূদন মজুমদারের লেখা একটি ছোট্ট অলৌকিক গল্প: "আশ্চর্য মূর্তি" প্রাচীন সর্পদেবীর মূর্তির অদ্ভুত ক্ষমতাকে তাচ্ছিল্য করার ফল যে কি মারাত্মক হতে পারে তা নিয়েই রচিত এই গল্পটি। ছোটগল্প হলেও গল্পটির ঘটনাবলীর মধ্যে থাকা অদ্ভুত গতির তারিফ না-করে থাকা যায় না। এই গল্পটির ছবিগুলি এঁকেছিলেন নারায়ণ দেবনাথ মহাশয় - ছবির সৌন্দর্যের কল্যাণেই গল্পটি পড়ার ইচ্ছা জেগে ওঠে।
মধুসূদন মজুমদার রচিত ছোট গল্প

আশা করি দুটি গল্পই সবার খুব ভালো লাগবে। ভালো-মন্দ বেশ কিছু কমেন্টস পেলে হয়তো বগলামামার বাকি কাহিনীগুলিও ধীরে ধীরে ধরা দেবে এই ব্লগে।


বগলামামা যুগ যুগ জিয়ো! 
এবং আশ্চর্য মূর্তি 
(Size: 24.2 MB)