"দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যভাগে ইংল্যান্ডের বুকে যখন রাজত্ব করছেন নর্ম্যান বংশের রাজা 'জন প্ল্যান্টাজেনেট' এবং রাজার অনুগ্রহ্পুষ্ট বিজয়ী নর্ম্যানদের অত্যাচারে যখন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে ঐ দেশেরই আদিবাসী অ্যাঙ্গলো-স্যাক্সন গোষ্ঠী --- সেই সময় নিপীড়িত আদিবাসীদের ভিতর থেকে আবির্ভুত হ'ল এক দুর্ধর্ষ যোদ্ধা --- রবিনহুড। উক্ত রবিনহুডের নেতৃত্বে ইংল্যান্ডের বুকে জন্মগ্রহণ করলো এক বিদ্রোহী বাহিনী। বিদ্রোহীরা সুযোগ পেলেই নর্ম্যানদের ধনসম্পত্তি লুন্ঠন করতো। নর্ম্যানরা ঐ বিদ্রোহীদের 'দস্যু' আখ্যা দিল। নর্ম্যানদের বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে অবতীর্ণ হলে রবিনহুড ও তার দস্যুদলের পরাজয় ছিল অনিবার্য। কিন্তু দস্যুরা আঘাত হানতো অতর্কিতে এবং কার্য্য সমাধা করেই আত্মগোপন করতো শেরউড নামক অরণ্যের অন্ত:পুরে........."
'রবিনহুড' নামটির সাথে বাংলা দেশের পাঠক-পাঠিকাদের সার্থক পরিচয় ঘটেছিলো রোমাঞ্চকর, অ্যাডভেঞ্চার গল্প-জগতের অপ্রতিদন্দ্বী লেখক 'ময়ূখ চৌধুরী'-র হাত ধরে। লেখকের অসামান্য লেখনীর গুণে ইংল্যান্ডের রবিনহুড নিমেষেই হয়ে উঠেছিলো আমাদের একান্ত কাছের এক 'রোল মডেল'। রবিনহুডের অমোঘ আকর্ষণের হাতছানি সেই সময়কার ছায়াছবির জগতেও প্রভাব বিস্তার করেছিলো। হাতে গোনা কয়েকটি মাত্র রবিনহুডের ছবিতে গল্প পাওয়া গিয়েছিলো শ্রদ্ধেয় ময়ূখ চৌধুরীর কাছ থেকে। আপশোষ হয় যে তিনি কেন আরও বেশ কিছু রবিনহুডের গল্প লিখে যান নি !!
এই পোষ্টে কয়েকটি রবিনহুডের ছবিতে গল্প আপলোড করা হলো। ইংরাজীতে হলেও আশা করি এগুলো পাঠক-পাঠিকাদের ভালোই লাগবে।

